নাট্যনির্মাতা অমিতাভ আহমেদ রানা ও তার বন্ধু সুব্রত মিত্র যৌথভাবে বেশ কয়েক বছর ধরে নাটক নির্মাণ করে আসছেন। তারা দুজন এখন পর্যন্ত ২৭টি নাটক নির্মাণ করেছেন, যার মধ্যে বেশি দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছে ‘সুবর্ণ তিথি’, ‘টুরু লাভ’, ‘ভোর হতে একটু বাকী’, ‘ঘুণপোকার গল্প’, ‘বয়ফ্রেন্ডের সাথে বয়ফেন্ড ফ্রি’ ইত্যাদি।
এরই মধ্যে রানা ও সুব্রত এ প্রজন্মের আলোচিত দুই অভিনয়শিল্পী শাশ্বত দত্ত ও আইশা খানকে নিয়ে অনামিকা মণ্ডলের গল্পে নির্মাণ করেছেন ‘হারাতে চাইনি’ শিরোনামের আরো একটি নাটক। নাটকে শাশ্বত অভিনয় করেছেন রবিন চরিত্রে ও আইশা রিয়া চরিত্রে।
শাশ্বত ও আইশা এর আগে ‘রক্ত লাগবে’, ‘খুশবু’, ‘সেই সময়’, ‘ঘাস ফড়িং’সহ আরো দুটি নাটকে একসঙ্গে অভিনয় করেছেন। প্রত্যেকটি নাটকে তাদের দুজনের ন্যাচারাল অ্যাক্টিং দর্শককে মুগ্ধ করেছে। দুজন সম্পর্কে জেনেই রানা ও সুব্রত তাদের নাটকে শাশ্বত-আইশাকে নিয়ে ‘হারাতে চাইনি’ নাটকটি নির্মাণ করেছেন। অবশ্য শাশ্বত ও আইশা প্রথম একসঙ্গে বিজ্ঞাপনে মডেল হিসেবে কাজ করেন।
নজরুল ইসলাম রাজুর পরিচালনায় রাঁধুনী হালিমের বিজ্ঞাপনে এ দুজন প্রথম একসঙ্গে কাজ করেন। শাশ্বত ও আইশাকে নিয়ে নাটক নির্মাণ প্রসঙ্গে অমিতাভ আহমেদ রানা বলেন, ‘খুব ভালো লেগেছে দুজনকে নিয়ে কাজ করতে। সময়ের বিষয়ে দুজনই ভীষণ সচেতন। আবার অভিনয়েও দুজন চরিত্রানুযায়ী ভীষণ প্রাণবন্ত। দুজনই খুব চমৎকার অভিনয় করেছেন।’
শাশ্বত বলেন, ‘রানা ভাই সুব্রত দাদার পুরো ইউনিটটাই ভীষণ গোছানো। সবকিছু বেশ প্রি-অর্গানাইজড। আর অভিনয় করার ক্ষেত্রে শিল্পীকেও যথেষ্ট স্বাধীনতা দেন, যে কারণে অভিনয় করতেও ভীষণ স্বাচ্ছন্দ্যবোধ কাজ করে। আইশার সঙ্গে করা এর আগের নাটকের মধ্যে বেশ কয়েকটি দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছে। আশা রাখছি হারাতে চাইনি নিয়েও।’
আইশা খান বলেন, ‘আমি ও শাশ্বত দুজনই আসলে ভীষণ টাইম মেইনটেইন করে কাজ করার চেষ্টা করি। রানা ভাই ও সুব্রত দাদার পুরো টিমও যথাসময়ে কাজ শুরু করে যথাসময়েই শেষ করেছেন, বিষয়টা আমার খুব ভালো লেগেছে। এটি ভীষণ গোছানো একটি টিম, যা এ সময়ে খুব কম পাওয়া যায়। কাজটা করে ভীষণ ভালো লেগেছে।’










