শেষ হতে যাচ্ছে ভক্তদের অপেক্ষার প্রহর। আগামী মার্চের প্রথম দিনই মুক্তি পেতে যাচ্ছে দেনি ভিলেনোভ পরিচালিত মহাকাব্যিক চলচ্চিত্র ডুনের দ্বিতীয় কিস্তি। মুক্তির ঠিক সামনে এসে সম্প্রতি শুটিং নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেতা অস্টিন বাটলার। চলচ্চিত্রটিতে তিনি ব্যারন ভ্লাদিমির হারকোনেনের ভাতিজা ফেইদ-রাউঠা চরিত্রে অভিনয় করেছেন। সম্প্রতি এনটারটেইনমেন্ট উইকলিতে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ডুন টুয়ের শুটিংয়ে প্রথম সপ্তাহেই বেশ কয়েকজন কলাকুশলীর হিটস্ট্রোক হয়। বাটলার বলেন, ‘সে সময়কার তাপমাত্রা ছিল ১১০ ডিগ্রি। তীব্র গরম। টুপি পরে থাকতে হয়েছে আমাকে। ততদিনে হিট স্ট্রোকের শিকার হয়েছেন কয়েকজন। অথচ তখন আমার প্রথম সপ্তাহ চলে। তবে এমন অস্বস্তিকর পরিবেশের মধ্যে সবার মধ্যে বন্ধনটা ছিল চমৎকৃত হওয়ার মতো।’
ডুন টুতে বাটলারের প্রথম শুট ছিল লড়াইয়ের। সেখানে ব্যারনের গ্রহে যোগ্যতা প্রমাণের পরীক্ষায় নামতে হয় তাকে। লড়াই করতে হয় চাচার মসনদের সত্যিকার উত্তরাধিকার প্রমাণে। বাটলার শুটিংয়ের আগে দীর্ঘ সময় প্রথম সিনেমায় হারকোনেনের অভিনয় ও কণ্ঠস্বর দেখেছেন। তারপর তৈরি করেছেন চরিত্রের স্বীয় সংস্করণ। এ পরিবর্তন সম্পর্কে বাটলার বলেন, ‘আমাকে ভাবতে হয়েছে, আমার চরিত্রটি মূলত বেড়েই উঠেছে ব্যারনের সঙ্গে। ফলে তার ওপর ব্যারনের প্রভাব থাকবে। আমি তার কথা বলার ধরন নিয়ে ভাবি। আসলে যখন শিশু প্রভাবশালী মানুষ দেখে বেড়ে ওঠে, তখন এটাই হয়। কোনো না কোনোভাবে অনুসরণীয় হয়ে ওঠে।’
ডুন চলচ্চিত্রটি নির্মাণের সময় প্রায় অধিকাংশ চরিত্রকেই উচ্চ তাপমাত্রার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে হয়েছে। এজন্য ভিলোনিভ প্রচলিত ধারার হলিউড প্রবণতায় পা রাখেননি। বরং দুটি সিনেমার মধ্যে বিরতি নিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘দুটি সিনেমাই নির্মিত হয়েছে প্রতিকূল তাপমাত্রার মধ্যে। শারীরিকভাবে যা অসহনীয়। ফলে দুই সিনেমার মধ্যে একটা বিরতি নিতে পারাটা ছিল আশীর্বাদের মতো। আমার তো ধারণা ছিল দুটি সিনেমাই পাশাপাশি শুট করা হবে। সেটা হলে হয়তো আমি মারা পড়তাম। তবে প্রথম পর্বের পর যেভাবে সারা দুনিয়ার চলচ্চিত্রপ্রেমীরা প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে, তা আমাদের সক্ষমতার পারদ বহু গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।’
সূত্র: ভ্যারাইটি










