আজকালের
প্রজন্ম বিধু বিনোদ চোপড়াকে চেনেন পিকে, থ্রি ইডিয়টস বা মুন্নাভাই সিরিজের প্রযোজক
হিসেবে। কিন্তু পরিচালক হিসেবেও বিধুর আলাদা অবস্থান রয়েছে। তার প্রথম দিকের
উল্লেখযোগ্য কাজ ‘পারিন্দা’। সেই সিনেমার শেষে ট্র্যাজিক দৃশ্য থাকায় পড়েছিলেন
বিপত্তিতে। সম্প্রতি সেই গল্প তুলে ধরেন বিধু বিনোদ চোপড়া।
১৯৮৯
সালের মুক্তি পাওয়া ‘পারিন্দা’ বলিউডের মূলধারার সিনেমায় রিয়েলিজমকে প্রতিষ্ঠিত করে। ্ অভিনয় করেন মাধুরী দীক্ষিত, জ্যাকি শ্রফ ও অনিল
কাপুর। সিনেমাটি তিন তারকার ক্যারিয়ারে মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়।
ছবির
গল্পের শেষ দিকে মারা যান মাধুরী ও অনিল। এ নিয়ে শুরু হয় জটিলতা। বিধুর দাবি, ডিস্ট্রিবিউটররা চাননি অনিল ও মাধুরী
দীক্ষিত মারা যাক। বরং তাদের প্রস্তাব ছিল জ্যাকি শ্রফ যেন মারা যান। আর এর জন্য
১০ লাখ রুপিও দেয়ার প্রস্তাব জানিয়েছিল তারা। কিন্তু আর্থিক কষ্ট থাকার পরও বিধু লোভনীয়
সেই প্রস্তাব নাকচ করে দেন।
গালাত্তা
প্লাসের কাছে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘পারিন্দা বানানোর সময় আমি অর্থকষ্টে
ছিলাম। ডিস্ট্রিবিউটররা সিনেমাটি দেখল এবং আমাকে ১০ লাখ রুপি প্রস্তাব করল। তারা
অনিল ও মাধুরীকে মারতে নিষেধ করে। তার বদলে দাবি করে জ্যাকি শ্রফকে মারতে। প্রতি
দফায় তারা দুই লাখ করে বাড়িয়েছে।’
“আমি
সাফ জানিয়ে দিয়েছি, যদি অনিল ও মাধুরীকে রেখে জ্যাকি শ্রফকে মারা হয়, তাহলে আমার
মূল বক্তব্যটাই হারিয়ে যাবে। আমার বক্তব্য হলো, সহিংসতা সহিংসতাই নিয়ে আসে। শেষ
পর্যন্ত তাদের কথা শুনিনি। ‘পারিন্দা’ সেদিক থেকে একটি সততার সঙ্গে নির্মিত।”
‘পারিন্দা’
সিনেমায় নানা পাটেকর ও অনুপম খেরকে দেখা যায় গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে। ১৯৯০ সালে
অস্কারের আসরে ভারতের পক্ষ থেকে মনোনীত করা হয় সিনেমাটিকে। পায় জাতীয় পর্যায়ের বেশ
কিছু পদক।
২০১৫
সালে বিধু বিনোদ চোপড়া হলিউডে ‘ব্রোকেন হর্সেস’ নামে সিনেমাটি রিমেক করলেও ইতিবাচক
সাড়া পায়নি।
আগামী
২৭ অক্টোবর মুক্তি পেতে যাচ্ছে বিধু বিনোদ চোপড়ার নতুন ছবি ‘টুয়েলফথ ফেইল’। অনুরাগ পাঠকের একই নামের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত
সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন বিক্রান্ত মেসি ও পলক লালওয়ানি।










