সুসান ডাউনির সঙ্গে রবার্ট ডাউনি জুনিয়র ঘর করছেন সেই ২০০৫ সাল থেকে। তারা ভালোই আছেন। অন্যদিকে ম্যাথিউ ব্রডরিকের সঙ্গে সারাহ জেসিকা পার্কারের সুখের সংসারের বয়স ২৬ বছর।

এমন এক সময় ছিল যখন রবার্ট ও সারাহ ছিলেন হলিউডের অন্যতম লাভবার্ড জুটি। টিনেজ বয়সে মাত্র ক্যারিয়ার শুরু করেছেন তারা। প্রেমের জন্য সময়টা দুর্দান্ত শোনালেও শেষটা হয়েছিল দুঃখজনকভাবে।

১৯৮৪ সালে ‘ফার্স্টবর্ন’ সিনেমার জন্য সেটে পরিচয় তাদের। তারপর বন্ধুত্ব ছাড়িয়ে ডেটিং ও একসঙ্গে থাকাথাকি। পরস্পরকে সবসময় কাছাকাছি পাওয়ার মুহূর্তে সামনে আসে জীবনের কালো কিছু দিক। যার পরিণতিতে দুজনের পথ দুদিকে যায় বেঁকে। এই বিচ্ছেদ থেকে সারা জীবনের জন্য দারুণ একটা শিক্ষা পেয়েছেন অভিনেত্রী।

এ অপরিণত সম্পর্ক নিয়ে রবার্ট ও সারাহ সব সময় অকপট। ‘আয়রনম্যান’-খ্যাত অভিনেতা প্যারড ম্যাগাজিনকে এক ইন্টারভিউতে জানান, তিনি গুরুতরভাবে অ্যালকোহল ও মাদক আসক্তিতে ভুগছিলেন। আর সারাহ জেসিকা পুরোপুরি এ সব থেকে দূরের মানুষ ছিলেন। যার কারণে সাত বছর প্রেমের পরও বিয়ে পর্যন্ত গড়ায়নি সম্পর্ক।

‘দ্য সেক্স অ্যান্ড দ্য সিটি’-খ্যাত অভিনেত্রীও বিষয়টি সামনে আনেন। তার মতে, ওই ধরনের সম্পর্কের ক্ষেত্রে সবচেয়ে সাহস হলো, সঙ্গীকে ছেড়ে আসা। কারণ এই নয় যে, ভালোবাসার কারণে ছেড়ে আসা যাচ্ছে না। বরং ছেড়ে আসার কারণে অন্যজন মারাও যেতে পারে।

সারাহ জেসিকা পার্কার জানান, রবার্ট ডাউনি জুনিয়রকে ছেড়ে আসা ছাড়া তার সামনে কোনো বিকল্প ছিল না। তিনি বলেন, সে ঠিকঠাক আছে তা নিশ্চিত হতে প্রচুর সময় লেগেছে। একটা সময়ে বলার সাহস পেয়েছি, ‘আমি চলে যাচ্ছি এবং প্রার্থনা করছি যে তুমি মারা যাবে না’।

রবার্টের সঙ্গে ছাড়াছাড়ি নিয়ে কোনো অনুশোচনা ছিল না বলে জানান সারাহ। তবে এ সম্পর্ক তাকে সারা জীবনের জন্য একটি শিক্ষা দিয়েছে। তা হলো, প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের মতোই সঙ্গীর যত্ন নেয়া উচিত। তা কখনো মা-বাবার মতো নয়।