ক্যারিয়ারের শীর্ষ সময়ে এসে মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন সেলেনা গোমেজ। ডিপ্রেশনের সঙ্গে যে লড়তে হবে কখনো ভাবতেও পারেননি ৩১ বছর বয়সী সুপারস্টার। এরপর থেরাপি নিয়ে তার মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটে। ভাগ্যিস একজন ভালো থেরাপিস্ট খুঁজে পেয়েছিলেন তিনি।

সম্প্রতি ‘দ্য কিট’-কে দেয়া সাক্ষাৎকারে ডিপ্রেশনের সঙ্গে যুদ্ধের কথা তুলে ধরেন সেলেনা।

তার মতে, কোনো সমস্যার সমাধানের গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, পুরো সমস্যাটি সম্পর্কে জানা। এটাই সেলেনাকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করেছে। তিনি বলেন, ‘আমি ডায়ালেক্টিক্যাল বিহেভিওরাল থেরাপি সম্পর্কে জানতে শুরু করি। তখন সত্যিই বুঝতে শুরু করেছি বা অন্তত বোঝার চেষ্টা করেছি কেন আমি (ডিপ্রেশনে) ওই আবেগগুলো অনুভব করছিলাম।’

এরপর বাইপোলার রোগ ধরা পড়লেও ভীতিকর লাগেনি আর। ‘মনে হচ্ছিল আমি বুঝতে পেরেছি যে কী ঘটছে’- উল্লেখ করে সেলেনা জানান, এরপর তাকে গাইড করতে পারবে এমন থেরাপিস্টের খোঁজে নামেন। ভাগ্য ভালো যে তা অচিরেই পেয়ে যান।

২০১৮ সালে সাইকোসিসের একটি পর্বের পর থেরাপিস্টের খোঁজ করেছিলেন তিনি। পরে জানান, তার বন্ধুরা সঠিক পরামর্শকের অভাবে কীভাবে ভুগেছিল।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মতে, প্রতি বছর মানসিক স্বাস্থ্যের সঙ্গে লড়াই করে সাত লাখ মানুষ আত্মহত্যার পথ বেছে নেন।

পরে নিজের জীবনের শিক্ষা থেকে ভুক্তভোগীদের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন সেলেনা গোমেজ। চলতি মাসে ডিপ্রেশন নিয়ে বড় একটি কার্যক্রম শুরু করতে যাচ্ছেন তিনি। তার সংস্থা ‘রেয়ার ইমপ্যাক্ট ফান্ড’ প্রথমবারের মতো আয়োজন করছে তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠান। এখান থেকে প্রাপ্ত অর্থ মানসিক স্বাস্থ্য উন্নয়নে ব্যয় হবে।