হলিউডের স্মরণকালের সবচেয়ে দীর্ঘ ধর্মঘট চলমান। শুরু করেছিলেন চিত্রনাট্যকাররা। এরপর যোগ দিয়েছেন রেডিও ও টেলিভিশন শিল্পী, টেকনিশিয়ান ও অন্যান্য ক্রু সদস্য। ফলে স্থবির হয়ে পড়েছে হলিউডের বেশকিছু সিনেমার নির্মাণ। অন্যদিকে ক্ষতির মুখে পড়েছে স্টুডিওগুলো। এর মধ্যে কয়েকটি স্টুডিও গর্ব করে জানিয়েছিল, তাদের নির্মাণ ব্যয় কমেছে। কিন্তু বাস্তবে এদের নির্মাণের দিকটি পিছিয়ে যাচ্ছে কোনো না কোনোভাবে। মে মাসের শুরু থেকে চলা এ আন্দোলন ও ধর্মঘট তিন মাস পার করেছে। অবশেষে আন্দোলনকারীরা শুক্রবার হলিউডের প্রধান স্টুডিওগুলোর সঙ্গে আলোচনায় বসেছেন। এসেছে বেশকিছু প্রস্তাব।
আলোচনা মূলত বিচ্ছিন্নভাবে চলছিল মে থেকেই। এবার নতুন করে আবার কথা হয়েছে এবং মোশন পিকচার ও টেলিভিশন প্রযোজকদের জোটের (এএমপিটিপি) কাছ থেকে নতুন প্রস্তাব পেয়েছে রাইটার্স গিল্ড অব আমেরিকা। তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে আগামী সপ্তাহে এ প্রস্তাবগুলোর বিপরীতে নিজেদের অবস্থান তারা জানাবেন। গিল্ডের পক্ষ থেকে এর সদস্যদের বলা হয়েছে, ‘আমরা এ প্রস্তাবগুলো বিবেচনা করে দেখব। এরপর রাইটার্স গিল্ডের বক্তব্য ও অবস্থান তাদের জানানো হবে।’
রাইটার্স গিল্ডের পক্ষ থেকে এর আগে বলা হয়েছিল প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের চাহিদাগুলো পূরণ করার ক্ষেত্রে যথেষ্ট সহযোগিতা করেনি। সে সহযোগিতা পাওয়ার উদ্দেশ্যেই শুক্রবার নতুন করে আবার আলোচনায় বসেছিলেন তারা। গিল্ডের প্রতিনিধিরা শুক্রবার ক্যারল লম্বার্ডিনির সঙ্গে দেখা করেন। লম্বার্ডিনি এএমপিটিপির সিইও।
চিত্রনাট্যকার বা লেখকদের ধর্মঘট হলিউডে নতুন কিছু নয়। ২০০৭-০৮ সালেও একটি ধর্মঘট হয়েছিল। এর আগে হয়েছিল ১৯৮৮, ১৯৭৩ ও ১৯৬০ সালে। ১৯৮৮ সালের ধর্মঘটটি চলেছিল ১৫৩ দিন। এবারের ধর্মঘট এর মধ্যেই ১০০ দিন পার করেছে। ধর্মঘটের কারণে পিছিয়েছে বেশ কয়েকটি সিনেমা। এছাড়া যেসব সিনেমা মুক্তি পাচ্ছে, তাতে স্ক্রিন অ্যাক্টরস, গিল্ড এবং টেলিভিশন ও রেডিও আর্টিস্ট সংগঠনের সদস্যরা প্রচারণায় অংশ নিচ্ছেন না। এদিকে পিছিয়েছে এমির আসর।
সূত্র: ভ্যারাইটি










