বলিউডে কাল্ট সিনেমায় পরিণত হয়েছে রাকেশ রোশন পরিচালিত ‘‌কোই.. মিল গ্যায়া’। হৃতিক রোশনের কামব্যাক হিসেবেও কাজ করেছিল সিনেমাটি। কাহিনী সবারই জানা। একটি এলিয়েন এসে শারীরিক ও মানসিকভাবে বদলে দেয় রোহিতকে। সিনেমাটি আজও ছোট-বড় সবারই পছন্দ। রোহিতের মানসিক সমস্যা, জাদুর আগমনের পাশাপাশি রোহিত-নিশার রোমান্টিক সম্পর্কের কথাও বলে সিনেমাটি। তবে বলিউডে এলিয়েন প্রসঙ্গে সিনেমা হিসেবে কোই... মিল গ্যায়া নিজের স্থান করে নিয়েছে। এর সিকুয়াল হয়েছে দুটি, কৃষ ও কৃষ টু। রাকেশ-হৃতিকের অন্যতম সফল এ সিনেমা নিয়ে জানা গেল নতুন তথ্য। আদিত্য চোপড়ার পরামর্শ অনুসারে ক্লাইম্যাক্স রেখেছিলেন রাকেশ। মজার ব্যাপার, যশ চোপড়ার মত ছিল ভিন্ন।

সিনেমার দুটো ক্লাইম্যাক্স ভেবেছিলেন রাকেশ। এক, জাদু চলে যাওয়ার পর রোহিত তার অলৌকিক ক্ষমতা হারাচ্ছে। দুই, জাদু যাওয়ার আগে রোহিতকে স্থায়ীভাবে সব ক্ষমতা দিয়ে যাচ্ছে। যশ চোপড়া প্রথমটির পক্ষে ছিলেন কিন্তু আদিত্য জোর দিয়েছিলেন দ্বিতীয়টির প্রতি। পিঙ্কভিলার সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে রাকেশ রোশন এসব কথা জানিয়েছেন। রাকেশ বলেন, ‘‌যশ আঙ্কেল জাদুর চলে যাওয়ার সঙ্গে রোহিতের শক্তি হারানোর পক্ষে ছিলেন। কিন্তু আদি (আদিত্য চোপড়া) আমাকে বোঝাল যে রোহিতের কাছে ওই শক্তি থাকা দরকার। আমার সিনেমা এখানে শেষ হওয়া উচিত।’

কেবল কোই... মিল গ্যায়া নয়, বলিউডের অনেক সিনেমার ক্ষেত্রেই আদিত্য চোপড়া এমন অনেক পরামর্শ দিয়েছেন যা সিনেমার ভাগ্য বদলে দিয়েছে। অন্যদিকে হৃতিক রোশন জানান, তার বাবা সাধারণত গোসল করার সময় নানা আইডিয়া পেতেন। তিনি বলেন, ‘‌দেখা গেল হুট করে তোয়ালে জড়িয়ে এসে বলছেন, চমৎকার একটা আইডিয়া মাথায় এসেছে।’

এলিয়েন নিয়ে সিনেমা নির্মাণের আইডিয়া প্রসঙ্গে রাকেশ বলেন, ‘‌আমার নাতনি সুরানিকা একদিন কার্টুন দেখছিল, যেখানে একটা এলিয়েন ছিল। আমি ওকে জিজ্ঞেস করে দেখলাম, সিনেমার পাশাপাশি সে সায়েন্স ফিকশনের বিষয়েও আগ্রহী। এলিয়েন একটা ভিনগ্রহের প্রাণী, সে এটুকু বুঝেছিল। আমিও তাই ভেবেছিলাম, এ রকম একটা গল্প নিয়ে সিনেমা নির্মাণ করা যায়।’

২০ বছর পার করেছে কোই.. মিল গ্যায়া। সিনেমাটি ২০০৩ সালে মুক্তি পায়। তখনো বলিউডে এলিয়েন নিয়ে কাজ হয়নি। তাই রাকেশ রোশনের জন্য কয়েকটি চ্যালেঞ্জ ছিল। তিনি সেখানে সফল।

সূত্র: দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস