র‍্যাচেল ম্যাকঅ্যাডমাসকে এই সেদিনও দেখা গেল মার্ভেলের ডক্টর স্ট্রেঞ্জ ইন দ্য মাল্টিভার্স অব ম্যাডনেসে। কিন্তু এর আগে মার্ভেলের সিনেমা ফিরিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। র‍্যাচেলের হিট বা প্রশংসিত সিনেমার তালিকা ছোট নয়। কিন্তু নানা সময় তিনি সিনেমা বাছাইয়ে ভুল করেছেন। ২০০৮ সালে মুক্তি পাওয়া আয়রন ম্যান সিনেমায় একটি চরিত্রে তাকে অভিনয়ের প্রস্তাব দিয়েছিল মার্ভেল। র‍্যাচেল তা ফিরিয়ে দেন। এর আগে ফিরিয়েছিলেন বন্ড ফ্র্যাঞ্চাইজির সিনেমা ক্যাসিনো রয়্যাল। ড্যানিয়েল ক্রেইগ অভিনীত এ সিনেমায় র‍্যাচেলকে প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল। পরে সেই চরিত্রটি করেন এভা গ্রিন। ফেরানো সিনেমার তালিকায় আরো আছে মিশন: ইম্পসিবল থ্রি, ডেভিল ওয়্যারস প্রাডা ও গেট স্মার্ট। বক্স অফিসে হিট হওয়া এসব সিনেমা নিয়ে খানিকটা অনুতাপেই ভোগের র‍্যাচেল।

‘‌জীবনে এমন কিছু কাজ আছে, যা মনে হয়েছে আমার করা উচিত ছিল,’ এ সিনেমাগুলোর প্রসঙ্গে বলেন র‍্যাচেল। সে সময় দ্য নোটবুক ও মিন গার্লসের সাফল্যের পর কানাডা চলে গিয়েছিলেন র‍্যাচেল। তার জনপ্রিয়তা ও চাহিদা বাড়লেও ততটা কাজে লাগাননি। এখন তার মনে হয় সুযোগ কাজে লাগানোই উচিৎ ছিল। তিনি বলেন, ‘‌আমার অনুতাপ হয় যে একটা সুযোগ পেয়েও তা কাজে লাগাতে পারিনি। আমার ভাগ্য তখন ভালো ছিল। তবে আবার মনে হচ্ছিল, পুরো বিষয়টি আমার ব্যক্তিত্বের সঙ্গে মানানসই না। আমি আমার মধ্যেই থাকতে চেয়েছিলাম।’

২০০৮ সালে আয়রন ম্যানে অভিনয় না করলেও র‍্যাচেল পরের বছর মুক্তি পাওয়া শার্লক হোমসে রবার্ট ডাউনি জুনিয়রের বিপরীতেই অভিনয় করেছিলেন। অন্যদিকে মার্ভেলে তার ফিরতে সময় লেগেছিল আরো আট বছর। চরিত্রের তুলনামূলক বিস্তার পায় ২০২২ সালের সিনেমাটিতে। তবে নোটবুক, মিন গার্লসের মতো ক্ল্যাসিকের সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে ফিরিয়ে দেয়া সিনেমার অনুতাপ অনেকটাই লঘু হয়ে যায়। 

র‍্যাচেল এখনো বেছে বেছেই সিনেমায় অভিনয় করেন। তার হাতে তেমন সিনেমা নেই। এ মাসের শেষে মুক্তি পাচ্ছে ‘‌আর ইউ দেয়ার গড? ইটস মি মার্গারেট’। ডক্টর স্ট্রেঞ্জের পরের সিনেমায়ও দেখা যেতে পারে তাকে।

সূত্র ও ছবি: ভ্যারাইটি