বলিউডের সিনেমা সারা বিশ্বেই জনপ্রিয়। কিন্তু এত জনপ্রিয়তার পরও বলিউডের সিনেমা অস্কারের দৌড়ে পিছিয়েই থাকে। কেননা ১৯৫৭ সাল থেকে এখন পর্যন্ত বলিউডের সিনেমা মাত্র ১০ বার কোনো না কোনোভাবে অস্কার পেয়েছে। তবে এবার নির্মাতা কিরণ রাও মনে করছেন, তিনি ও তার সিনেমা ভারতে আরেকটি অস্কার নিয়ে আসবে। তার সিনেমা লাপাতা লেডিসের মাধ্যমে আরেকটি অস্কার যাবে ভারতে। তিনি এ সিনেমা নিয়ে আত্মবিশ্বাসী।
গত বছর ভারতের সিনেমা থেকে একটি অস্কার এসেছে। ‘আরআরআর’ সিনেমার ‘নাটু নাটু’ গানের জন্য অস্কার পেয়েছিলেন গানের গীতিকার ও সুরকার। এর আগে স্লামডগ মিলিওনেয়ার সিনেমার গানের জন্য অস্কার এসেছিল এআর রহমানের হাতে। কিন্তু কিরণের বিশ্বাস এবার সিনেমার জন্যই আসবে অস্কার।
কিরণ বলেন, ‘সম্প্রতি লন্ডনে তিনি এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘আমরা সম্প্রতি দেখেছি, অস্কারে এশিয়া থেকে অনেক বেশি সংখ্যক সিনেমা প্রতিযোগিতা করছে। প্যারাসাইট অস্কার পেল, এরপর মালয়েশিয়ান অভিনেত্রী মিশেল ইয়ো হলেন সেরা অভিনেত্রী। কিন্তু সত্যিকার অর্থে দক্ষিণ এশিয়ার সিনেমাকে ঠিকভাবে অস্কারে উপস্থাপনই করা হয়নি। আমরা আমাদের গল্প ও উপস্থাপনাকে ঠিকভাবে বিশ্বের কাছে পৌঁছে দিতে আরো অনেক কিছু করতে পারি।’
লাপাতা লেডিস মূলত নারী স্বাধীনতার কথা বলে। সে চাইলেই নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে এমন গল্প নিয়েই সিনেমাটি। গল্পের উপস্থাপনায় ছিল ভারতের গ্রাম দেহাতের কথা। এসেছে ভারতের পিছিয়ে পড়া অংশের মানসিকতা ও তাদের রীতিনীতি। সেই সঙ্গে কিছুটা হাস্যরস দিয়ে সিনেমাটিকে দর্শকের জন্য সহজপাচ্য ও উপভোগ্য করে তোলা হয়েছে।’
সিনেমাটি নিয়ে অনেকেরই ভিন্ন মত আছে, বিশেষত অস্কারে পাঠানো নিয়ে। ভারতেরই অনেক দর্শক ও সমালোচক মনে করেন লাপাতা লেডিস ঠিক অস্কারে পাঠানোর মতো সিনেমা নয়। ভারতীয় সিনেমার ক্ষেত্রে এ বছর আরো সম্ভাবনাময় সিনেমা ছিল। বিশেষত পায়েল কাপাডিয়া পরিচালিত ‘অল উই ইমাজিন অ্যাজ লাইট’কেই সবাই অস্কার উপযোগী মনে করেন। সিনেমাটি কান উৎসবে সেরা হয়েছিল। কিন্তু ভারতের অস্কার কমিটি মনে করেছে লাপাতা লেডিসই ভারতকে প্রতিনিধিত্ব করে।
সূত্র: ইয়ন










