বলিউড অভিনেতা রণদীপ হুদা। গত শুক্রবারই মুক্তি পেয়েছে রণদীপ হুদা অভিনীত সিনেমা ‘স্বতন্ত্র বীর সাভারকার’। এ সিনেমার মধ্য দিয়ে রণদীপ তার পরিচালনার ক্যারিয়ারও শুরু করেছেন। সিনেমাটি ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া পাচ্ছে। তবে এর আগে খারাপ সময় পার করেছেন তিনি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রণদীপ ক্যারিয়ারের খারাপ সময়ের কথা প্রকাশ করেছেন। সিনেমা ‘ব্যাটল অব সারাগারি’ তার জীবন বদলে দিয়েছিল। ২০১৭ সালে কাজ শুরু করলেও ২০ দিন শুটিংয়ের পর সিনেমাটি বাতিল হয়ে যায়। তখন থেকেই রণদীপ মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন।
ফলে তার পেশাগত জীবনে চলে আসে নানা প্রতিকূলতা এবং তিনি জানিয়েছেন, কীভাবে সে সময় অভিনেতা হিসেবে তাকে বদলে দিয়েছে। এমনকি তিনি আরো জানিয়েছেন, সারাগারি সিনেমাটি নিয়ে দোটানার ফলে তিনি ক্রিস হেমসওয়ার্থের ২০২০-এর ফিল্ম ‘এক্সট্রাকশন’-এ কাজ করার সুযোগ প্রায় হারাতে বসেছিলেন।
রাজকুমার সন্তোষীর সঙ্গে সারাগারিতে কাজ করার কথা ছিল রণদীপের। এ নিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রস্তুতির জন্য আমি দীর্ঘ তিন বছর ধরে শিখদের মতো দাড়ি রেখেছিলাম। কিন্তু সিনেমাটি তৈরি হলো না। আমার জন্য এটি খুবই খারাপ সময় ছিল এবং আমি প্রচণ্ড বিষণ্ন ছিলাম।’ "
তিনি যোগ করেছেন, এটি ছিল জীবনের একটি কঠিন পরিস্থিতি। কারণ তিনি এক্সট্রাকশনে কাজের আশা প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমি একবার স্বর্ণ মন্দিরে গিয়েছিলাম। আমি সেখানে প্রতিজ্ঞা করেছিলাম, সারাগারির ব্যাটেল শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমি আমার চুল কাটব না এবং যখন সিনেমাটি বাতিল হলো, তারপর আমি চুল কেটেছি।’
রণদীপ জানিয়েছেন, এ সিনেমা শেষ হওয়ার পর পুরো তিন বছর সময় তার জন্য অনেক কঠিন ছিল। তার সংগ্রামের সময় ছিল। কারণ রণদীপের কাছে কোনো কাজ ছিল না। অর্থকষ্টে তাকে বাসার অনেক জিনিসই বিক্রি করে দিতে হয়েছিল, এমনকি তার পছন্দের ঘোড়াগুলোও। রণদীপ বলেন, ‘যদি আমি খুব দ্রুতই সাফল্য পেয়ে যেতাম, তাহলে আমি আজকের অভিনেতা হতে পারতাম না। আমি হয়তো চেষ্টা করা বন্ধ করে দিতাম, কিন্তু সে সংগ্রাম আমার নিজেকে আরো বেশি কঠিন পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে সহায়তা করেছে।’"
সূত্র: দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস










