বেশ কয়েক বছর আগের কথা। চিত্রনায়িকা অধরা খান তখনো মিডিয়ার কোনো কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত নন। সে সময়টায় তিনি সাংবাদিক এএইচ মুরাদের সঙ্গে ফেসবুকে যুক্ত ছিলেন। সে সময় মূলত মুরাদেরই অনুপ্রেরণায় অধরা খান পরিচালক শাহীন সুমনের সঙ্গে দেখা করেন। এভাবেই তার ‘পাগলের মতো ভালোবাসি’ সিনেমায় যুক্ত হওয়া। তবে অধরা অভিনীত প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ছিল ইস্পাহানী আরিফ জাহান পরিচালিত ‘নায়ক’। এতে তার বিপরীতে ছিলেন চিত্রনায়ক বাপ্পী চৌধুরী। পরবর্তী সময়ে তার অভিনীত ‘মাতাল’, ‘পাগলের মতো ভালোবাসি’ ও ‘সুলতানপুর’ সিনেমা মুক্তি পায়।

প্রতিটি সিনেমায়ই অধরা খান দর্শকের কাছ থেকে বেশ ভালো সাড়া পান। তাই অভিনয়ের দুনিয়ায় আরো কাজ করার জন্য অভিনয়ের সঙ্গেই থেকে যাওয়ার উৎসাহ পান অধরা। এরই মধ্যে তিনি আরো দুটি সিনেমার কাজ শেষ করেছেন। এগুলো হচ্ছে সৈয়দ ওয়াহিদুজ্জামান ডায়মণ্ডের ‘দখিন দুয়ার’, জাহিদ হোসেনের ‘ঋতুকামিনী’।

অনেকেই মনে করেন, অধরা খান দেশের বাইরেই বেশির ভাগ সময় ঘুরে বেড়ান। দেশে তাকে খুব কমই পাওয়া যায়। অথচ দেশে থেকে তিনি এরই মধ্যে এ দুই সিনেমার কাজ শেষ করেছেন। সিনেমাগুলোর ডাবিংও শেষ হয়েছে।

যেহেতু চলচ্চিত্রে এসেছেন অধরা কাজ করতে, তাই চলচ্চিত্রের প্রতি ও অভিনয়ের প্রতি তার ভালোবাসা প্রবল। যত যা কিছুই করেন না কেন তার কাছে চলচ্চিত্রের গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। তিনি দেশের বাইরে থাকেন আর দেশেই থাকেন তার কাজ তিনি যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়েই করে থাকেন।

এরই মধ্যে অধরা কিছুদিন আগে মাকে সঙ্গে নিয়ে থাইল্যান্ডে গেছেন। সেখান থেকে মালয়েশিয়া ঘুরে বর্তমানে সিঙ্গাপুরে আছেন। ২০ অক্টোবর তিনি দেশে ফিরবেন বলে জানান। সম্প্রতি করা সিনেমা প্রসঙ্গে অধরা খান বলেন, ‘দখিন দুয়ারেতে আমি খেয়া চরিত্রে ও ঋতুকামিনীতে কুমকুম চরিত্রে অভিনয় করেছি। সিনেমা দুটি যারা নির্মাণ করেছেন, দুজনই ভীষণ মেধাবী পরিচালক। তাদের মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমার প্রতি দর্শকের ভালো লাগা ও ভালোবাসা ছিল। যে কারণে বলা যায়, বেশ আগ্রহ নিয়েই তাদের সিনেমায় অভিনয় করেছি। একজন অভিনেত্রী হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করার সুযোগ পেয়েছি এ দুই সিনেমায়। আমি ভীষণ আশাবাদী সিনেমা দুটি নিয়ে। ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই দুই গুণী পরিচালককে।’

অধরা জানান, ঋতুকামিনী সিনেমাটি আগামী বছর মুক্তি পাবে, এটা তিনি নিশ্চিত। এটা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের চলচ্চিত্র উৎসবেও প্রদর্শন করা হবে।