মডেলিং ও সিনেমা দুই অঙ্গনেই কাজ করছেন শাহনাজ সুমি। প্রথম সিনেমা ‘পাপ-পুণ্য’ দিয়েই সবার নজর কেড়েছিলেন। সম্প্রতি ওয়েব সিরিজ ‘বুকের ভেতর আগুন’-এ অভিনয় করে দর্শকমহলে প্রশংসা পাচ্ছেন। ঈদ কেমন কাটল তা নিয়ে কথা বলেছেন বণিক বার্তার সঙ্গে। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সাবিহা জামান শশী
এবারের ঈদে আপনার কোনো কাজ এসেছে?
না। এবারের ঈদে নতুন কোনো কাজ করিনি। সামনে আমার স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের ফাইনাল পরীক্ষা। কিছুদিন আগেই বাবা মারা গেছেন। সব মিলিয়ে আসলে কোনো কাজ করা হয়নি।
বাবাকে নিয়ে ছোটবেলার ঈদের কোনো স্মৃতি?
আমার আব্বু বিদেশে থাকতেন। মাঝে মধ্যে ঈদে দেশে আসতেন। সে সময় আমরা গ্রামের বাড়ি যেতাম। সেখানে ঈদ করতাম। এছাড়া সবসময় ঢাকায়ই ঈদ করতাম। ঈদে নতুন জামা নিয়ে সবার ভেতরেই অন্য রকম আনন্দ কাজ করে। আমার ক্ষেত্রেও ঈদের জামা কেনাটা খুব আনন্দের ছিল। পরিবারের সবাই একসঙ্গে ঈদ উদযাপন করতাম। সে সময়টায় আমরা একসঙ্গে না থাকলেও আব্বু বেঁচে ছিলেন। কিন্তু এখন তিনি আর আমাদের মাঝে নেই। তাই আমার মনে হয়, ঈদে একসঙ্গে থাকার চেয়ে সবাই সুস্থ থাকাই জরুরি।
ঈদ কেমন গেল সব মিলিয়ে?
আসলে ঈদ নিয়ে আলাদা পরিকল্পনা প্রতি ঈদেই থাকে। এবারো একইভাবে ঈদকে ঘিরে অনেক পরিকল্পনা ছিল বাসার সবার। আব্বু দেশের বাইরে থাকতেন, তাই আমরা তার সঙ্গে অনেকদিন পর পর একসঙ্গে ঈদ করতাম। কিন্তু এবার ঈদের আগেই অপ্রত্যাশিতভাবে তিনি চলে গেলেন। তাই এবারের ঈদ নিয়ে তেমন কিছু বলার নেই। আব্বুকে অনেক মিস করেছি সবসময়।
ঈদে কি কখনো বাসার সবার জন্য রান্না করা হয়?
হ্যাঁ, আমি এমনিতে রান্না করি। কিন্তু ঈদের রান্না তো একটু স্পেশাল। তাই এ দিন সবসময় আম্মুই রান্না করেন। আম্মুর রান্না সবসময় অনেক মজা হয়। ঈদের রান্না আম্মু নিজের হাতে করেন প্রতিবার। আমরা পরিবারের সবাই একসঙ্গে মজা করে খাই।
আপনার পছন্দের খাবার কী?
আম্মুর রান্না করা যেকোনো খাবারই আমার পছন্দ। সকালের সেমাই থেকে রাতের খাবার সবই ভালো লাগে। আম্মুর বানানো বিভিন্ন ধরনের সরবতও আমার খুব পছন্দ। এগুলো খেলে সারা শরীর যেন জুড়িয়ে যায়। বিরিয়ানি, চটপটি, ফুচকা, হালিম, আম্মুর বানানো সবকিছুই আমার ভালো লাগে। একেক বেলায় একেক খাবার খাই আমি। সবই ভীষণ মজা হয়।










