দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির বিশেষত্ব পারস্পরিক সহযোগিতা। নিজ ইন্ডাস্ট্রি বা দক্ষিণের যেকোনো ইন্ডাস্ট্রির ভালো কাজের প্রশংসা আসে অন্য ইন্ডাস্ট্রি থেকে। তামিলে একটি ভালো কাজ হলে তা তেলেগু, মালয়ালম ইন্ডাস্ট্রির প্রশংসা পায়। সব ক্ষেত্রেই এটা দেখা যায়। সর্বশেষ সে উদাহরণ রাখলেন সুরিয়া। আয়ালান সিনেমার ভিএফএক্স টিমের প্রশংসা করেছেন তিনি। কেবল প্রশংসাই নয়, টিমকে একটি ফুলের তোড়া পাঠিয়েছেন, যার সঙ্গে ছিল ‘থ্যাংকিউ নোট’।
সেখানে লেখা ছিল, ‘তোমরা ক্যামেরার পেছনে একটা অসাধারণ কাজ করেছ। আমার খুব ভালো লেগেছে। এর পেছনে তোমাদের প্যাশনের পরিচয় কাজের মধ্যেই আছে। পরিশ্রমের যে ফল এসেছে তা আমাদের সবার ভালোবাসা পাচ্ছে। সুরিয়ার পক্ষ থেকে ভালোবাসা।’
সিনেমার ভিজুয়াল ইফেক্টের কাজ করেছে ফ্যান্টম ভিএফএক্স। সুরিয়া এ প্রতিষ্ঠানের সিইও বিজয় অরুপতরাজকে ফোন কলও করেছে। বিজয় সে কথোপকথন বিষয়ে লিখেছেন এক্সে। তিনি লিখেছেন, ‘সুরিয়া স্যার আমাদের ফোন করেছেন। ভিএফএক্সে আমাদের কাজের জন্য ধন্যবাদের পাশাপাশি বেশ প্রশংসা করেছেন। এটা মূলত শিল্পের প্রতি তার ভালোবাসার ফল। কেবল কলই নয়, এরপর আমাদের হাতে এসেছে তার পাঠানো ফুলের তোড়া ও একটি চিঠি। আমরা তার এ সচেতনতা ও ভালোবাসায় আপ্লুত। এ পোস্টের মাধ্যমে আমরা তাকে ধন্যবাদ জানাতে চাই।’
এ নিয়ে ফ্যান্টম ভিএফএক্সের পক্ষ থেকে এক্সে পোস্ট করা হয়েছে, সেখানে ফ্যান্টম ভিএফএক্স ও সুরিয়াকে ট্যাগ করা হয়। পাশাপাশি তারা সুরিয়ার আসন্ন সিনেমা কাঙ্গুভার জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন। এ সিনেমার গল্প ইতিহাসভিত্তিক এবং এতেও ভারী ভিএফএক্সের ব্যবহার হচ্ছে।
আয়ালান মূলত সায়েন্স ফিকশন ঘরানার সিনেমা। এতে একটি এলিয়েনের গল্প বলা হয়েছে। অনেকটাই ‘ইটি’ বা ‘কোয়ি মিল গ্যায়া’র সঙ্গে এর মিল পাওয়া যাবে। আর. রবিকুমার পরিচালিত সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন করুণাকরণ, শিব কার্তিকেয়, শরদ কেলকাল, রাকুল প্রীত সিং প্রমুখ।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস










