যুক্তরাজ্যের মানুষ গত বছর ঘরে বসে সবচেয়ে বেশি দেখেছে যে ছবি তার নাম ‘জোকার’। ব্রিটিশ অ্যাসোসিয়েশন ফর স্ক্রিন এন্টারটেইনমেন্ট (বিএএসই) সম্প্রতি এ তথ্য প্রকাশ করেছে।
২০২০ সালে যুক্তরাজ্যে জোকার ছবির ১৮ লাখ কপি বিক্রি হয়েছে ডিস্ক, ইলেকট্রনিক সেল ও ট্রানজেকশনাল ভিডিও-অন-ডিমান্ড সংস্করণে। মহামারীর বাতাবরণে অবধারিতভাবেই বেড়েছে যুক্তরাজ্যের হোম এন্টারটেইনমেন্টের বাজার। এ বৃদ্ধির পরিমাণ ২৬ শতাংশ। পুরো বছরে এ বাজার ছিল ৩৩০ কোটি পাউন্ডের।
জোকার ছাড়া ব্রিটিশরা ঘরে বসে আরো যে ছবিগুলো বেশি দেখেছে সেগুলো হলো ফ্রোজেন টু, জুমানজি: দ্য নেক্সট লেভেল, নাইন্টিন সেভেন্টিন এবং স্টার ওয়ারস: দ্য রাইজ অব স্কাইওয়াকার।
জনপ্রিয় টিভি বক্সের মধ্যে ছিল গেম অব থ্রোনস-এর সিজন এইট, ডক্টর হু এবং ডাউনটাউন অ্যাবে। ডিস্ক ও ডিজিটাল ভলিউম বিক্রিতে শীর্ষে ছিল দ্য ওয়াল্ট ডিজনি কোম্পানি। এ বাজারের ১৯ দশমিক ১ শতাংশ ছিল তাদের নিয়ন্ত্রণে।
ব্রিটিশ অ্যাসোসিয়েশন ফর স্ক্রিন এন্টারটেইনমেন্টের প্রধান নির্বাহী লিজ বেলস বলেছেন, ‘২০২০ সালে জীবনের সব ক্ষেত্রকেই মহামারী প্রভাবিত করেছে। ভিডিও কনটেন্টের ক্ষেত্রে বিবর্তন হয়েছে ইতিবাচকভাবে। ঘরে বসে থাকতে হলে ডিজিটাল ট্রানজেকশনাল ভিডিও খুবই উপযোগী একটি সংস্করণ। সাবস্ক্রিপশন ছাড়াই পছন্দমতো কনটেন্ট এভাবে দর্শক দেখছেন। এগুলোর চাহিদাও প্রতিদিন বাড়ছে।’
তবে ডিজিটাল কনটেন্টের দিকে এ ঝুঁকে পড়া যুক্তরাজ্যে ডিস্ক কিংবা টেলিভিশন শোতে তেমন ক্ষতিগ্রস্ত করেনি। অনেক ব্রিটিশ এখনো ব্লু রে ডিস্ক সংগ্রহে রাখা এবং সেগুলো দেখায় আগ্রহী।
লিজ বেলসের মতে, এ বছর মহামারী পরবর্তী স্বাভাবিকতা ফিরে আসবে এবং সেটার চেহারা কেমন হবে তা আমাদের অজানা। তবে এটা নিশ্চিত যে নতুন বাণিজ্য মডেল তৈরি হয়েছে তা নির্দিষ্ট বিস্তৃতিতে অব্যাহত থাকবে।
সূত্র: ভ্যারাইটি










