নাট্য সংগঠন বটতলার ১৭তম প্রযোজনা ‘সখী রঙ্গমালা’। তিনদিনে টানা পাঁচটি প্রদর্শনী হতে যাচ্ছে নাটকটির। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নাটকটির নির্দেশক মোহাম্মদ আলী হায়দার। নাগরিক নাট্য সম্প্রদায় ও মঙ্গলদীপ ফাউন্ডেশন প্রণোদিত নাটকটি প্রথম মঞ্চে আসে গত ২৪ জানুয়ারিতে ‘আলী যাকের নতুনের উৎসব’-এ। এরপর দীর্ঘ বিরতি শেষে আগামী ২ নভেম্বর থেকে টানা তিনদিনে পাঁচটি প্রদর্শনী হবে নাটকটির।
বটতলা নাট্য সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, রাজধানীর বেইলি রোডের বাংলাদেশ মহিলা সমিতির ড. নীলিমা ইব্রাহিম মিলনায়তনে ২ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় হবে নাটকটির দ্বিতীয় প্রদর্শনী। ৩ ও ৪ নভেম্বর থাকছে দুটি করে প্রদর্শনী। একটি বিকাল সাড়ে ৪টায়, অন্যটি সন্ধ্যা ৭টায়। পাঁচটি প্রদর্শনী শিক্ষার্থীরা অর্ধেক দামে টিকিট কিনে দেখতে পারবেন।
নাটকটি নিয়ে নির্দেশক মোহাম্মদ আলী হায়দার জানান, বটতলার নাটকে সবসময় সর্বপ্রাণের অধিকারের কথা থাকে। বটতলার সব সদস্য বিশ্বাস করে ভালোবাসাই বেঁচে থাকার শক্তি। সে ভালোবাসা মানুষে-মানুষে, মানুষে-প্রকৃতিতে। ভালোবাসা বা প্রেমের যেকোনো গণ্ডি নেই, একে যে বাঁধা যায় না কোনো বিশেষ ছকে, তথাকথিত শত্রুর জন্যও যে মন ব্যাকুল হয়, তাকেও যে আঁকড়ে ধরে একটি গোটা জীবন পার করা যায়, তেমন এক দর্শন নিয়ে এ প্রযোজনা। ‘সখী রঙ্গমালা’ তেমনই আভাস দিয়ে যাবে দর্শকের মনে। সখী রঙ্গমালা’র আখ্যানের শেকড় বোনা আছে নোয়াখালী অঞ্চলের কিংবদন্তি ‘চৌধুরীর লড়াই’-এ। প্রজন্মান্তরে বহু লোকশ্রুত ও নন্দিত এ লোকজ আখ্যান নতুন ভাষ্য পেল শাহীন আখতারের উপন্যাস ‘সখী রঙ্গমালা’-তে। আর বটতলায় এ উপন্যাসের মঞ্চভ্রমণের পরিসর রচনায় উপন্যাসের নাট্যরূপ দিয়েছেন সামিনা লুৎফা নিত্রা ও সৌম্য সরকার।
মোহাম্মদ আলী হায়দার বলেন, ‘সখী রঙ্গমালা উপন্যাস যখন পড়ি, রঙ্গমালার প্রতি কেমন যেন দরদ কাজ করে। তার প্রেমে হাবুডুবু খাই। কিন্তু তার প্রতি প্রেম এত গুরুত্বপূর্ণ কেন? প্রত্যেকটি চরিত্র আমাকে ভাবিয়েছে। উপন্যাসের বিশালত্ব মঞ্চায়ন আমাকে কাবু করে দেয়। নাটকটির কলাকুশলীদের ধন্যবাদ জানাই এ যাত্রায় সঙ্গে থাকার জন্য।’
নাটকটিতে অভিনয় করবেন শর্মীমালা, কাজী শামস্ তাথৈ, শাহিনূর আক্তার প্রীতি, প্রিয়াম অর্চি, কাজী রোকসানা রুমা, ওলিয়েন্ডার রিমা, সানজিদা ইয়াসমিন, মাহবুব মাসুম, তৌফিক হাসান ভূঁইয়া, আশরাফুল ইসলাম অশ্রুসহ আরো অনেকে।










