স্ট্রিমিং প্লাটফর্মগুলো নেমেছে সিনেমা প্রযোজনায়। নেটফ্লিক্স, অ্যামাজনের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে অ্যাপল টিভিও। গত বছর তারা সিনেমায় করেছে মোটা অংকের বিনিয়োগ। এর মধ্যে মূলত তিনটি সিনেমায় বেশি বিনিয়োগ করেছে কোম্পানিটি—কিলার্স অব দ্য ফ্লাওয়ার মুন, আরগাইল ও নেপোলিয়ন। তিনটি সিনেমায় অ্যাপল খরচ করেছে প্রায় ৭০ কোটি ডলার। এর বিপরীতে কিছুটা লাভও হয়েছে। যেমন তিনটি সিনেমা থেকে মোট ১০টি অস্কার মনোনয়ন এসেছে। অ্যাপলের তুলনায় এগিয়ে আছে কেবল নেটফ্লিক্স। তারা পেয়েছে ১৮টি মনোনয়ন। কিন্তু প্রশ্ন আসে, এর বিপরীতে সিনেমাগুলোর আয় নিয়ে।
মার্টিন স্করসেসি পরিচালিত কিলার্স অব দ্য ফ্লাওয়ার মুন বক্স অফিসে আয় করেছে ১৫ কোটি ৭০ লাখ ডলার। আরগাইল আয় করেছে ৮ কোটি ৮০ লাখ ডলার। সে তুলনায় নেপোলিয়ন অনেক বেশি আয় করেছে—২২ কোটি ১০ লাখ ডলার। সব মিলিয়ে তিন সিনেমার মোট আয় হলো ৪৬ কোটি ৬০ লাখ ডলার। সে হিসাবে ব্যয়ের তুলনায় আয় কম হয়েছে ২৩ কোটি ৪০ লাখ ডলার। ক্ষতির পরিমাণ ৩৩ শতাংশ।
তিনটি সিনেমাই দর্শক ও বিশ্লেষকদের আশার তুলনায় কম আয় করেছে। এর মধ্যে আরগাইল নির্মাণ হয়েছে ২০ কোটি ডলারে। খরচের অর্ধেকও তুলতে না পারা সিনেমাটি নিয়ে অনেকেই হতাশ। সবচেয়ে বেশি আয় করেছে নেপোলিয়ন। এর নির্মাণ ব্যয় ছিল ২০ কোটি ডলারের কিছু কম। কিলার্স অব দ্য ফ্লাওয়ার মুন নির্মাণে খরচ হয়েছে ২১ কোটি ডলারের বেশি। তবে এ সিনেমা থেকে একাধিক অস্কার আশা করাই যায়।
অ্যাপল টিভি মূলত লাভের দিকে এ মুহূর্তে নজর দিচ্ছে না। তারা সিনেমায় বিনিয়োগ করে আলোচনা তুলতেই ইচ্ছুক। লাভ না হলেও এ তিন সিনেমা থেকেই যথেষ্ট আলোচনা পেয়েছে অ্যাপল। এতে বেড়েছে তাদের সুনাম এবং স্ট্রিমিংয়েও তার প্রভাব পড়েছে। সে হিসেবে ৭০ কোটি ডলার মূলত লাভজনক বিনিয়োগই ছিল ভবিষ্যতের জন্য।
সূত্র: ভ্যারাইটি










