বিশ্ব চলচ্চিত্রের সবচেয়ে বড় সম্মাননার আসর ৯৩তম অস্কারের ক্ষণ গননা শুরু হয়ে গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের সময় ২৫ এপ্রিল অনুষ্ঠান শুরু হলেও বাংলাদেশের দর্শকরা দেখতে পাবে ২৬ এপ্রিল ভোরে। গত এক বছরের পরিশ্রম ও মেধার মূল্যায়নস্বরূপ কোন অভিনেতা, অভিনেত্রী, পরিচালক কিংবা চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্টদের হাতে অস্কার উঠবে সারা বিশ্ব তা দেখার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।

সারা বিশ্বের মতো করোনাভাইরাস প্রভাব ফেলেছে হলিউডেও, যে কারণে এ বছর অস্কারে অতিথি সংখ্যা কমানো হয়েছে। অস্কারের পার্টি এবার হবে না। তবে একটি ঐতিহ্য পালন হবে ঠিকঠাকভাবেই। তা হলো বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য শাখায় মনোনয়নপ্রাপ্তদের জন্য গুডি ব্যাগ তথা উপহারের ব্যাগ।

প্রতি বছর শীর্ষ বিভাগে মনোনীত শিল্পীরা অস্কারের গুডি ব্যাগ পান। এ ব্যাগে বিভিন্ন বিলাসবহুল আইটেম থাকে। সব মিলিয়ে একটি ব্যাগের দাম ১ কোটি টাকারও বেশি।

নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, এবার মনোনীতদের গুডি ব্যাগ তৈরি করেছে ডিসটিংকটিভ অ্যাসেট কোম্পানি। যদিও ব্যাগের ভেতরের পণ্যের প্রকৃত মূল্য জানা যায় না। তার পরও গত বছর ফোর্বস ম্যাগাজিন এটির মূল্য আড়াই লাখ ডলার বলে জানিয়েছিল, বাংলাদেশী মুদ্রায় যা দেড় কোটি টাকার বেশি।

বিজয়ীর ঘরে যাবে অস্কারের স্বর্ণের মূর্তি। তবে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে মনোনীত ২৫ জন পাবেন একটি করে গুডি ব্যাগ। ছয় স্তরের গিফট ব্যাগে থাকবে ফ্রি লিপোসাকশন, ত্বকের জন্য ডিজাইনার ক্রিম, স্বর্ণের প্রলেপ দেয়া ইলেকট্রিক সিগারেট, মোমবাতি, গোসলের জন্য বুদ্বুদ তোলা এক ধরনের শ্যাম্পু ও ভিটামিন ইনজেকশন।

এছাড়া থাকছে বিখ্যাত শিক্ষকের কাছে ট্রেনিং নেয়ার সুযোগ, সুইডেনের প্যাটার নস্টার লাইটহাউজে তিন রাত থাকার সুবিধা এবং গাড়িতে কুকুর আটকে গেলে তাকে জরুরি ভিত্তিতে বের করার জন্য পেটার বড় হাতুড়ি।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে এ বছর গুডি ব্যাগের উপহারসামগ্রীতে বৈচিত্র্য, স্বাস্থ্য ও মানবপ্রীতিকে প্রাধান্য দেয়া হয়েছে।

 

সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে