দক্ষিণ কোরীয় কে-পপ গান শোনা, ভিডিও দেখা এবং বিক্রির অপরাধে গত এক দশকে প্রকাশ্যে সাতজনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে উত্তর কোরিয়া। দেশটির মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে নতুন বিতর্ক উসকে দিয়েছে এ তথ্য।

সিউলভিত্তিক একটি মানবাধিকার সংস্থার প্রকাশিত নতুন একটি প্রতিবেদনে জানানো হয়, দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় কে-পপ-এর ভিডিও দেখা ও অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করার অপরাধে ২০১২-১৪ সালে ছয়জনকে প্রকাশ্যে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে উত্তর কোরিয়ার সরকার। শুধু তাই নয়, মৃত্যুদণ্ড দেখতে তাদের অনেকের পরিবারকে বাধ্য করা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। মানবাধিকার ওই সংস্থাটি আরো জানিয়েছে, ক্ষমতায় আসার পর এখন পর্যন্ত অনেকের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন কিম। কিছুদিন আগে নেটফ্লিক্সের সিরিজ স্কুইড বিক্রির দায়ে উত্তর কোরিয়ায় একজনের মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে।

এদিকে ১১ দিনের জন্য উত্তর কোরিয়ার নাগরিকদের হাসির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে সেই কিম। উত্তর কোরিয়ার সাবেক শাসক তথা কিমের বাবা কিম জং ইলের দশম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। টানা ১১ দিন হাসা যাবে না। এমনকি মদ্যপানও করা যাবে না। ছুটি কাটানো, উৎসবে মেতে ওঠা যাবে না। এ নিয়ম লঙ্ঘনে কড়া শাস্তি পেতে হবে নাগরিকদের।

২০২০ সালে উত্তর কোরিয়া একটি আইন পাসের মাধ্যমে দেশটিতে বিদেশী সিনেমা, নাটক, সংগীত ও বই প্রবেশে বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ করে। এর মূল উদ্দেশ্য দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন কনটেন্ট উত্তর কোরিয়ায় ঢুকতে না দেয়া। এ রকম কনটেন্ট দেশটিতে প্রবেশ করানো ও বিতরণ করলে বিভিন্ন ধরনের শাস্তির ব্যবস্থা আছে।

 

সূত্র: নিউইয়র্ক টাইমস