বছরের মধ্যভাগে আমেরিকার বক্স অফিস বাজি ধরেছিল দুটি সিনেমার ওপর। এর মধ্যে একটি ওয়ার্নার ব্রোসের দ্য ফ্ল্যাশ ও অন্যটি ইন্ডিয়ানা জোনস ফ্র্যাঞ্চাইজির শেষ সিনেমা ‘‌ইন্ডিয়ানা জোনস অ্যান্ড দ্য ডায়াল অব ডেস্টিনি’। এরই মধ্যে দর্শকের পাশাপাশি ফ্ল্যাশ হতাশ করেছে বক্স অফিসকেও। সিনেমাটি মুক্তির পর দেখা গেল দর্শক যা ভেবেছিল, তা পাচ্ছে না। মুক্তির প্রায় ২০ দিনে সিনেমাটি মোট আয় করেছে প্রায় ২৫ কোটি ডলার। আমেরিকার বক্স অফিসে আয় এর অর্ধেকের কম। বলা যায় সিনেমাটি ফ্লপই করেছে। এরপর বাজির শেষ তাস ছিল ইন্ডিয়ানা জোনস। সিনেমাটি ফ্ল্যাশের হিসেবে বেশ ভালো আয় করেছে। গত ৩০ জুন মুক্তি পেয়ে এর আয় ছিল ৭ কোটি ডলারের কিছু বেশি। তবে এতেও বক্স অফিসের আশা পূরণ হয়নি।

ইন্ডিয়ানা জোনস প্রায় ৪০ বছরের ফ্র্যাঞ্চাইজি। সিরিজটি শুরু করেন স্টিভেন স্পিলবার্গ। ১৯৮১-২০০৮ পর্যন্ত চারটি সিনেমা পরিচালনা করেছেন তিনি। এবারের সিনেমাটির পরিচালক জেমস ম্যানগোল্ড। এবারো ছিলেন হ্যারিসন ফোর্ড। এ বছর কান চলচ্চিত্র উৎসবে সাম্মানিক পাম ডি অর পেয়েছেন তিনি। সব মিলিয়ে এটি নিয়ে বক্স অফিসের আশা ছিল অনেক বেশি। ধারণা করা হয়েছিল, সিনেমাটি মুক্তির প্রথম সপ্তাহে আয় করবে ৮-৯ কোটি ডলার। আমেরিকার স্বাধীনতা দিবসের ছুটিতে সিনেমাটি ১ কোটি ১০ লাখ ডলার আয় করেও এর মোট আয় দাঁড়িয়েছে ৭ কোটি ১০ লাখ ডলার। 

হলিউডের বাজার মন্দা যাচ্ছে এ বছর। বেশকিছু সিনেমা আশা তৈরি করেও শেষ পর্যন্ত তা বজায় রাখতে পারেনি। এর মধ্যে দ্য ফ্ল্যাশ অন্যতম তা বলাই হয়েছে। এর বাইরে মার্ভেলের গার্ডিয়ানস অব দ্য গ্যালাক্সি ভলিউম থ্রি আমেরিকায় আয় করেছে মোট ৩৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার। গত ৪ মে মুক্তি পাওয়া জেমস গানের সিনেমাটির মোট আয় ৮০ কোটি ডলারের বেশি। কিন্তু ৪৫ কোটির বেশি এসেছে আমেরিকার বাইরে থেকে। আমেরিকার বক্স অফিস তুলনামূলক ধুঁকছে। স্পাইডার ম্যান অ্যাক্রস দ্য স্পাইডারভার্স এর মধ্যে নতুন করে আয় করেছে ৩০ লাখ ডলার। তাও আসলে খুব বেশি নয়।

সূত্র: ভ্যারাইটি