প্রত্যাশানুযায়ী বক্স অফিসে সাড়া তুলতে পারেনি ‘মিশন: ইমপসিবল-ডেড রেকনিং পার্ট ওয়ান’। বৃহস্পতিবার মুক্তি পাওয়া সিনেমাটি প্রথম দিন ৮৩ লাখ ডলার আয় করেছে। গতকাল পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুসারে সিনেমাটি দক্ষিণ আমেরিকায় মুক্তির পর প্রথম দুদিনে (বৃহস্পতি ও শুক্রবার) ২ কোটি ৩৮ লাখ ডলার আয় করেছে। কিন্তু লাভের মুখ দেখতে হলে ব্যবসার পরিমাণ আরো বাড়াতে হবে। আর সে কারণে বৈশ্বিক বক্স অফিসে আলোড়ন তোলার কোনো বিকল্প নেই। বর্তমান পরিস্থিতি অনুসারে সিনেমাটি প্রথম পাঁচদিনে ৮ কোটি ডলার আয় করবে বলে আশা করা হচ্ছে। কিন্তু এটি তৈরিতে প্রায় চার গুণ বেশি খরচ হয়েছে।
মিশন: ইমপসিবল-ডেড রেকনিং পার্ট ওয়ান সিনেমা তৈরিতে মোট খরচ হয়েছে ২৯ কোটি ডলার। সিনেমায় টম ক্রুজের চরিত্র ইথান হান্টের উঁচু পাহাড় থেকে লাফ দেয়া, চলন্ত ট্রেনে ছুরি নিয়ে প্রতিপক্ষের সঙ্গে লড়াই করা এবং রোমের রাস্তায় ফিয়াট গাড়ি চালানোর সময় অনুসরণকারীদের কৌশলে ফাঁকি দেয়া দৃশ্য তৈরিতে অনেক বেশি ব্যয় হয়েছে। এ দৃশ্যগুলো কভিড-১৯ মহামারীর সময় ধারণ করা হয়েছিল। লকডাউনের মধ্যে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে কাজ করতে গিয়ে খরচ আরো বেড়ে গিয়েছিল।
ভারতে শুরুটা ভালোই করেছে মিশন: ইমপসিবল-ডেড রেকনিং পার্ট ওয়ান। দেশটিতে মুক্তির প্রথম দিন সিনেমাটি ১২ দশমিক ৫ কোটি রুপি আয় করেছে। চলতি বছর ভারতে মুক্তি পাওয়া হলিউডের সিনেমাগুলোর মধ্যে এটিই প্রথম দিন সবচেয়ে বেশি আয় করেছে। সমালোচকদের প্রশংসাও পেয়েছে এ সিনেমা। ইংরেজি, হিন্দি, তামিল ও তেলেগু-এ চার ভাষায় সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছে। শ্বাসরুদ্ধকর সব অ্যাকশন দৃশ্যে ভরপুর ‘মিশন ইমপসিবল’ ফ্র্যাঞ্চাইজির এ সিনেমা ভারতীয় দর্শকের মনে দারুণ সাড়া জাগাতে পেরেছে। টম ক্রুজের কথা তো বলাই বাহুল্য, সিনেমার অন্যান্য অভিনেতাদেরও পছন্দ করেছেন তারা। বিশেষ করে হেইলি অ্যাটওয়েল অসাধারণ কিছু স্টান্টের মাধ্যমে দর্শকদের মুগ্ধ করেছেন। ভারতীয় বক্স অফিসে প্রথম দিনের আয়ের দিক থেকে মিশন ইমপসিবল ফ্র্যাঞ্চাইজির আগের সিনেমা ‘ফলআউট’-কেও টপকে গেছে ডেড রেকনিং পার্ট ওয়ান। ফলআউট প্রথম দিন ৯ দশমিক ২৫ কোটি রুপি আয় করেছিল। এটি সব মিলিয়ে ৮০ কোটি রুপি আয় করে। এবার দেখার পালা ডেড রেকনিং পার্ট ওয়ান কতটুকু যেতে পারে!
সূত্র ও ছবি: ভ্যারাইটি










