ওয়ান্ডার ওম্যান নাইন্টিন এইটিফোর যুক্তরাষ্ট্রে ও স্ট্রিমিং প্লাটফর্ম এইচবিও ম্যাক্সে মুক্তি পাবে ২৫ ডিসেম্বর। কিন্তু এরই মধ্যে দুনিয়ার ৩২টি অঞ্চলে ছবির প্রদর্শনী শুরু হয়েছে। ২০ ডিসেম্বর পর্যন্ত বিদেশের বাজার থেকে ছবিটি আয় করেছে সাড়ে ৩ কোটি মার্কিন ডলার। বক্স অফিসে ছবির এ আয়কে হতাশাজনক বলছেন চলচ্চিত্র বাণিজ্য বিশেষজ্ঞরা। ২০১৭ সালে ওয়ান্ডার ওম্যান একই অঞ্চলগুলোয় এমন সময়ে আয় করেছিল ৭ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার। সে হিসেবে ওয়ান্ডার ওম্যান নাইন্টিন এইটিফোরের আয় বর্তমানে ৪৮ শতাংশ কম।

চীনের বাজারের দিকে তাকালে চিত্রটি পরিষ্কার হবে। চীনে ওয়ান্ডার ওম্যান নাইন্টিন এইটিফোর আয় করেছে প্রায় ১ কোটি ৯০ লাখ ডলার, অন্যদিকে ২০১৭ সালে ওয়ান্ডার ওম্যান আয় করেছিল প্রায় ৩ কোটি ৮০ লাখ ডলার। চীনের বক্স অফিসে আয় কমেছে ৪৪ শতাংশ। ওয়ান্ডার ওম্যান চীনের বক্স অফিসে মোট আয় করেছিল সাড়ে ৯ কোটি মার্কিন ডলার। বর্তমানে ২০ কোটি ডলার বাজেটের ওয়ান্ডার ওম্যান নাইন্টিন এইটিফোর যে হারে আয় করছে, তাতে চীনে সব মিলিয়ে আগের চেয়ে অর্ধেক সম্ভব হতে পারে।

চীনের বাইরে ইউরোপের বাজারের সুসংবাদ নেই ওয়ান্ডার ওম্যান নাইন্টিন এইটিফোরের জন্য। যুক্তরাষ্ট্রের মতো ইউরোপের কিছু দেশে করোনাভাইরাসের নতুন সংক্রমণের ঢেউ ওঠায় সিনেমা হলগুলো আবার বন্ধ হচ্ছে। তবে ওয়ার্নার ব্রস জানাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্য ও লাতিন আমেরিকায় তুলনামূলকভাবে ভালো করছে ওয়ান্ডার ওম্যান নাইন্টিন এইটিফোর।

বক্স অফিস বিশ্লেষকরা মনে করছেন ওয়ান্ডার ওম্যান নাইন্টিন এইটিফোর চীনে ৪ কোটি ডলার আয় করতে পারে। চীনের দর্শকরা সুপারহিরো ছবির বেশ ভক্ত। ধারণা করা হচ্ছিল ছবিটি চীনের বাজারেই অন্য অঞ্চলের তুলনায় বেশি আয় করবে।

যুক্তরাষ্ট্রে এ মুহূর্তে ৩৭ শতাংশের কম সিনেমা হল খোলা আছে। সব মিলিয়ে বেশ কঠিন পরিস্থিতির মুখে ওয়ান্ডার ওম্যানের এ নতুন সিক্যুয়াল। মহামারী না থাকলে ছবিটি নিশ্চিতভাবেই শতকোটি ডলারের কাছাকাছি আয় করতে পারত এবং ছবির আরো একটি পর্ব নির্মিত হতো নিশ্চিতভাবেই। কিন্তু সেটি নিয়ে এখন বিশ্লেষকরা সন্দিহান।

 

সূত্র: হলিউড রিপোর্টার