দাপুটে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান প্যারামাউন্ট পিকচার্সের ব্যানারে পরিচালক ফ্রাঙ্কো জেফিরেলির সিনেমা 'রোমিও অ্যান্ড জুলিয়েট'। ১৯৬৮ সালে মুক্তি পেতে না পেতেই সাড়া পড়ে যায় হলিউডে। বক্স অফিসে চমক দেখানোর পাশাপাশি নজর কাড়ে সমালোচকদের। পায় ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া।

এই ছবিতে রয়েছে কিছু ঘনিষ্ঠ দৃশ্য। যা নিয়ে রুষ্ট ছিলেন প্রধান দুই অভিনয়শিল্পী। পাঁচ দশক পর এসে রীতিমতো মামলা ঠুকে দিয়েছেন প্যারামাউন্ট পিকচার্সের বিরুদ্ধে।

সিনেমায় রোমিও ও জুলিয়েট চরিত্রে ছিলেন যথাক্রমে লিওনার্ড হুইটিং ও ওলিভিয়া হাসি।

ঘনিষ্ঠ দৃশ্য ধারণের সময় অলিভিয়া হাসির বয়স ছিল মাত্র পনেরো ও লিওনার্ড হুইটিংয়ের বয়স ষোলো। তাদের অভিযোগ ওই দৃশ্যের নগ্নতা সম্পর্কে আগে থেকে তাদের ধারণা দেননি পরিচালক। বরং শেষ মুহূর্তে গিয়ে জেফিরেলি এককভাবে তা ধারণের সিদ্ধান্ত জানায়।

অভিনয়শিল্পীদের বারবার নিশ্চয়তা দেয়া হয়েছিল, সিনেমায় কোন ঘনিষ্ঠ দৃশ্য থাকবে না। ফলে শেষ মুহূর্তের ধারণ করা দৃশ্যটি নীতিবিরুদ্ধ অবস্থানের আওতায় পড়ে।

হুইটিং ও হাসির ব্যবস্থাপক টনি ম্যারিনোজ্জি ভ্যারাইটিকে দেয়া বিবৃতিতে বলেন, ‌'তাদের যা বলা হয়েছিল ও বাস্তবে যা ঘটেছে, তার মধ্যে মিল নেই। তারা ফ্রাঙ্কোকে বিশ্বাস করেছিল। টিনএজ বয়সে তা মেনে নিয়েছিল। গণ্য করেছিল বন্ধু হিসেবে। ওইটুকু বয়সে আর কী-ই বা করতে পারে? তখন তো আর #মিটু ছিল না।’

মামলার ভাষ্য মতে, দুই তারকা ওই ঘটনার পর মানসিক ভোগান্তিতে পড়েন। পেশাগত ক্ষয়ক্ষতিরও সম্মুখীন হন। ফলে ক্ষতিপূরণ বাবদ ৫০ কোটি ডলার দাবি করা হয়েছে।

অবশ্য অভিযোগ ও মামলা প্রসঙ্গে এখনো প্যারামাউন্ট পিকচার্স থেকে প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।