গায়িকা হিসেবেই পরিচিত জেফার রহমান। গানের পাশাপাশি তাকে দেখা গেছে মিউজিক ভিডিওতেও। এরপর মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ‘লাস্ট ডিফেন্ডারস অব মনোগামি’ সিনেমায় অভিনয় করলেন জেফার। এ সিনেমার মাধ্যমেই অভিষেক হলো তার। আগেও বেশ কয়েকবার পেয়েছিলেন সিনেমার প্রস্তাব। যদিও বিষয়গুলো সেভাবে নেননি জেফার রহমান। নিজেকে তিনি দাবি করেছেন গানের মানুষ হিসেবে। গানের সূত্রে মিউজিক ভিডিওতে কাজ করা পর্যন্ত তার কাছে অভিনয়টা ভিন্ন বিষয়। কিন্তু কোনোভাবেই মনে হয়নি কোনো একটা চরিত্রকে ধারণ করে অভিনয়ে নামার। তবে এরপর ফারুকীর সিনেমা দিয়ে শুরুটা ভালোই হলো তার।
এরপর ক্রমেই বদলে গেছেন জেফার। লাস্ট ডিফেন্ডারস অব মনোগামি সিনেমায় তাকে দেখা গেছে ভিন্ন এক রূপে। এখন আর কেবল কণ্ঠশিল্পী না; জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পী হিসেবে তিনি জয় করেছেন ভক্তদের হৃদয়। চঞ্চল চৌধুরীর মতো নন্দিত অভিনেতার বিপরীতে তার সহজ ও সাবলীল অভিনয় প্রশংসিত হয়েছে ব্যাপকভাবে। দর্শকদের কাছ থেকে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া বদলে দিয়েছে জেফারের মনোভাব। অভিনয়কে তিনি অন্য চরিত্রে ভ্রমণের মতো করে নিয়েছেন। তার ভেতরে অভিনয়ের ক্ষুধা বেড়েছে। ভালো ও ব্যতিক্রমী চরিত্র পেলে তিনি অভিনয় করতে আগ্রহী। এখন তিনি অভিনয়শিল্পী হিসেবেও নিজেকে প্রতিষ্ঠা করতে চান। অবশ্য তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, অভিনয়ের জন্য কণ্ঠশিল্পী জেফার হারিয়ে যাবেন কিনা। তিনি অস্বীকার করেন। তার দাবি, ‘যে গানের সূত্র ধরে নিজেকে তুলে ধরার সুযোগ পাওয়া, তা থেকে দূরে থাকা অসম্ভব।’
এ সিনেমার পর জেফার রীতিমতো দেশের একজন সেনসেশনে পরিণত হন। তাকে নিয়ে নানা কথা হতে শুরু করে। সিনেমায় তিনি লামিয়া চরিত্রে নিজেকে এ সময়ের একজন তরুণী হিসেবে যথাযথভাবে উপস্থাপন করেছেন। আবার সমালোচনাও হয়েছে। তবে এ সিনেমার জন্য নয়। সিনেমার পরপর একটি মিউজিক ভিডিওর কারণে সমালোচিত হন তিনি। তবে সেসব পেরিয়ে আবারো সিনেমায় অভিনয়ের জন্য উৎসুক জেফার।










