ভারতীয় চলচ্চিত্রে অসামান্য অবদানের জন্য দাদা সাহেব ফালকে সম্মাননা পেলেন দক্ষিণের মেগাস্টার রজনীকান্ত। গতকাল নয়াদিল্লির ভিগান ভবনে অনুষ্ঠিত ৬৭তম জাতীয় ফিল্ম অ্যাওয়ার্ডে এ পুরস্কার দেয়া হয়। ভারতের ভাইস প্রেসিডেন্ট ভেঙ্কাইয়া নাইডু রজনীকান্তের হাতে দাদা সাহেব ফালকে পুরস্কার তুলে দেন। এ সময় পরিপূর্ণ সাদা পোশাকে দেখা যায় এ মেগাস্টারকে। তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী লতা, মেয়ে ঐশ্বরিয়া ও তার জামাতা ধানুস।
পুরস্কার তুলে দেয়ার সময় জুরি বোর্ডের সদস্য বিশ্বজিৎ চ্যাটার্জি বলেন, ‘গুণী ও বিনয়ী’
ব্যক্তি হওয়ায় এ সম্মানের জন্য রজনীকান্তকে বেছে নেয়া হয়েছে। গত এপ্রিলেই রজনীকান্তকে দাদা সাহেব ফালকে পুরস্কার দেয়ার খবর প্রথম জানিয়েছিলেন বিজেপির রাজ্যসভার সদস্য প্রকাশ জাভড়েকর। ডিরেক্টরেট অব ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে এ ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি। চলতি বছরের মার্চে এ পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। তবে করোনা মহামারীর কারণে পুরস্কার দেয়া পিছিয়ে যায়।
রজনীকান্ত ছাড়াও সেরা অভিনেতার পুরস্কার পেয়েছেন ধানুস ও মনোজ বাজপেয়ি। সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার জিতেছেন কঙ্গনা রানাওয়াত।
ভারতীয় চলচ্চিত্রে অসামান্য অবদানের জন্য দাদা সাহেব ফালকে সম্মাননা দেয় দেশটির সরকার। ২০১৮ সালে এ পুরস্কার পেয়েছিলেন অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন। এর আগে ভারতের দ্বিতীয় বেসামরিক সম্মাননা পদ্মবিভূষণ পেয়েছিলেন রজনীকান্ত। ১৯৭৫ সালে কে বালাচন্দরের ছবি দিয়ে অভিনয় ক্যারিয়ার শুরু করেন তিনি। এরপর তামিল চলচ্চিত্রজগতে ৪৫ বছর ধরে কাজ করছেন। রজনীকান্ত কাজ করেছেন বলিউডেও। সব মিলিয়ে প্রায় পৌনে দুইশ ছবিতে অভিনয় করেছেন দক্ষিণের এ মেগাস্টার।
গত বছর দরবার সিনেমায় শেষবারের মতো দেখা গেছে তামিলের অ্যাকশন সিনেমা ‘কাবালি’র এ অভিনেতাকে। তবে শিগগিরই তাকে অ্যান্টিসিপেটেড সিনেমা আন্নাথিতে দেখা যাবে। আগামী ৪ নভেম্বর সিনামাটি মুক্তি পাবে।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া ও হিন্দুস্তান টাইম










