সোনাক্ষী সিনহা বিয়ে করলেন কিছুদিন আগে। জহির ইকবালকে বিয়ে করা নিয়েও এক বিসংবাদ। এর মধ্যে তিনি জানালেন এখন আগের মতো সব ধরনের সিনেমায় অভিনয় করতে চান না। বলিউডের একটি স্বাভাবিক প্রবৃত্তি হলো নারীদের যেনতেন একটি চরিত্র দিয়ে দেয়া। চারটা গানের তিনটিতে তাদের উপস্থিতির সঙ্গে মূল সিনেমায় স্বল্প স্ক্রিন টাইম পান। এ ধারা থেকে বের হতে চান সোনাক্ষী। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তার হানিমুন সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে সোনাক্ষী বলেন, ‘ওই পর্ব শেষ। এখন আমি কাজে ফিরতে চাই।’ সে সূত্রেই তিনি জানান গল্পের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হতে চান।
সোনাক্ষীর বলিউড অভিষেক হয়েছিল মূলত সালমান খানের হাত ধরে। দাবাংয়ে তার চরিত্রটি নায়িকার হলেও সালমানের সামনে নিষ্প্রভই ছিলেন। এরপর রাওডি রাথোরে অক্ষয় কুমারের সঙ্গেও একই অবস্থা। প্রভু দেবা পরিচালিত আর রাজকুমারেও তাই। এসবের মধ্যে তিনি চরিত্রকেন্দ্রিক সিনেমায়ও অভিনয় করেছেন। ছিল আকিরা, ইত্তেফাক আর গত বছর তিনি অভিনয় করেছেন ওয়েব সিরিজ ‘দাহাড়’-এ। সোনাক্ষীই ছিলেন সিরিজের ‘নায়ক’। এ সিরিজের মধ্য দিয়ে নিজের অভিনয় প্রতিভার প্রমাণ দিয়েছেন অভিনেত্রী। সম্প্রতি সঞ্জয় লীলা বানসালির ‘হীরামাণ্ডি’ও তার অভিনয় প্রতিভার প্রমাণ। কিন্তু সব সিনেমায় এমন সুযোগ থাকে না।
কিছু সিনেমায় আবার সুযোগ থাকে। এ নিয়ে সোনাক্ষী বলেন, ‘থিয়েটারের সব সিনেমাই বাণিজ্যিক নয়। কিছু সিনেমা ফর্মুলার বাইরেও গল্প ও অভিনয় নিয়ে কাজ করে। আমার সাম্প্রতিক সিনেমা কাকুড়াও তেমনই। আমি চিত্রনাট্য পড়েই সম্মত হয়েছিলাম। সিনেমায় যে পাঞ্চগুলো আছে তা আমার ভালো লেগেছিল।’ কিন্তু সিনেমাটি নিয়ে এখনো তেমন কোনো ইতিবাচক আলাপ দেখা যাচ্ছে না।
সে তুলনায় ওটিটিতে অনেক বেশি নিরীক্ষার সুযোগ আছে। এ নিয়ে তিনি বলেন, ‘ওটিটি নতুন করে কাজ শুরু করার পর অনেক সুযোগ তৈরি হয়েছে। সবাই এ প্লাটফর্মে কাজ করতে চান এবং ভালো কাজ করছেন। আমিও করেছি। তবে আমি মনে করি, দিনশেষে আমার কাজটা অভিনয় করা—সেটা সিনেমায় হোক, ওটিটি বা অন্য কোনো মঞ্চে।’
তবে সেখানে তিনি পুরনো ধারায় কাজ করতে চান না। এ নিয়ে তিনি বলেন, ‘এখন আমি আর একটা গানের জন্য সিনেমায় অভিনয় করব না। ভালো চরিত্র ও স্ক্রিন টাইম পেলে সেখানেই কাজ করতে চাই।’
সোনাক্ষীর হাতে এখনো বেশকিছু বাণিজ্যিক সিনেমা আছে। তিনি অভিনয় করবেন হাউজফুল ফাইভ, খিলাড়ি ১৮০ ও নিকিতা রয় অ্যান্ড দ্য বুক অব ডার্কনেস সিনেমায়।
সূত্র: দি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস










