মৃত্যুকে খুব কাছ থেকে দেখেছেন আমেরিকার খ্যাতনামা কণ্ঠশিল্পী ম্যাডোনা।
টানা ১০ দিনের মতো চিকিৎসা শেষে ৪ জুলাই হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছিলেন ম্যাডোনা। জীবনে
ফেরার দিনটাকে স্মরণ করেছেন ৬৫ বছর বয়সী এ গায়িকা।
ম্যাডোনা হয়তো জীবনে আর নাও ফিরতে পারতেন। ‘সেলিব্রেশন ট্যুর’-এর
মহড়ায় নিজেকে সঁপে দিয়েছিলেন। এর মধ্যে গত বছরের ২৪ জুন অচেতন অবস্থায় নিউইয়র্কের বাড়িতে
পড়ে ছিলেন। ভয়াবহ ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে মরতে বসেছিলেন। বাধ্য হয়ে ‘সেলিব্রেশন ট্যুর’সহ
সব কনসার্ট স্থগিত করা হয়েছিল।
৪ জুলাই এক ইনস্টাগ্রাম পোস্টে ম্যাডোনা লিখেছেন, ‘প্রাণঘাতী এক রোগের
সঙ্গে লড়াই করে এক বছর আগে এ দিনে আমি বাড়ি ফিরেছিলাম। তখন অনেক চেষ্টা করে সবে দাঁড়াতে
শুরু করেছিলাম। আমি অলৌকিকভাবে সেরে উঠেছি। বছরটা দুর্দান্ত কেটেছে। জীবনটাই সুন্দর।’
৬৫ বছর বয়সে এসেও দমে যাননি ম্যাডোনা। গানে চার দশক পূর্তি উপলক্ষে
গত বছর শুরু হয় ম্যাডোনার ‘দ্য সেলিব্রেশন ট্যুর’ কনসার্ট। ২০২৩ সালের ১৪ অক্টোবর লন্ডনে
শুরুর পর রিও ডি জেনিরোতে ঐতিহাসিক শো দিয়ে শেষ হলো আলোচিত এ কনসার্ট ট্যুর।
মৃত্যুর মুখ থেকে গানে ফেরার বছরটা দুর্দান্ত কেটেছে ম্যাডোনার। রানির
মতোই গানে ফিরেছেন তিনি। ‘সেলিব্রেশন ট্যুর’-এর কনসার্টে ঝড় তুলতে দেখা গেছে তাকে।
এ ট্যুরই ম্যাডোনাকে অন্য উচ্চতায় নিয়েছে। ‘সেলিব্রেশন ট্যুর’ থেকে
গত বছরের মাঝামাঝি পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি আয় করেছেন তিনি। গত বছরের নভেম্বর থেকে এ বছরের
মে পর্যন্ত কনসার্টের ভিত্তিতে এই তালিকা প্রকাশ করেছে পলস্টার।
ম্যাডোনার কনসার্টে ১৭৯ মিলিয়ন ডলারের টিকিট বিক্রি হয়েছে; তালিকার
শীর্ষে রয়েছেন ম্যাডোনা।










