বছরটা যেন টেইলর সুইফটেরই। একের পর এক সাফল্য পাচ্ছেন তিনি। এরাস ট্যুরের সাফল্য তো ছিলই, সাফল্যের মুকুটে নতুন করে যুক্ত হয়েছে আরেকটি পালক। তার ২০১৪ সালের গান ‘‌ব্ল্যাংক স্পেস’ নতুন করে এসেছে বিলবোর্ডের সেরা ১০০-র তালিকায়। টেইলরের ব্ল্যাংক স্পেস মুক্তি পায় ২০১৪ সালে। গানটি তার এলপি রেকর্ড ১৯৮৯-এ ছিল। মুক্তির পর দারুণ জনপ্রিয় হয়েছিল গানটি। ২০১৪-১৫ সালে গানটি টপ চার্টে ছিল টানা ৩৬ সপ্তাহ।

ব্ল্যাংক স্পেস সেরার তালিকায় এসেছে বেশকিছু কারণে। গানটি যুক্তরাষ্ট্রে স্ট্রিম হয়েছে ৮৪ লাখ। এর বাইরে রেডিওতে বেজেছে ৪৩ লাখ বার। এছাড়া ৪-১০ আগস্ট পর্যন্ত গানটি ১ হাজার বার ডাউনলোড হয়েছে। লুমিনেট এ খবর জানিয়েছে। এর মাধ্যমে বোঝা যায় টেইলর সুইফটের পুরনো গানের আবেদন তো কমেইনি বরং নতুন প্রজন্মের শ্রোতাদের কাছেও তার গানের আবেদন আছে।

এর পেছনে অবশ্য প্রভাব আছে টেইলরের এরাস ট্যুরের। টেইলর সুইফটের এবারের এরাস ট্যুর অন্যতম সফল ট্যুরে পরিণত হয়েছে। বলা চলে এর মাধ্যমে কনসার্ট ও ট্যুর-কনসার্টকে নতুন করে উজ্জীবিত করেছেন তিনি। ‌১৯৮৯-এর রিরেকর্ডিংয়ের খবর দেয়ার পর পরই গানটি গ্লোবাল টপ চার্টের ৪০ নম্বরে চলে আসে। ১০ শতাংশ শ্রোতা বেড়ে গিয়ে গানটি স্ট্রিম হয় প্রায় ২ কোটি ৫৪ লাখ বার। কেবল যুক্তরাষ্ট্রে নয়, ২০০টি অঞ্চল থেকে শোনা হয়েছে টেইলরের ব্ল্যাংক স্পেস।

টেইলরের এ গান মুক্তির পর থেকেই দুর্দান্ত সাড়া পেতে শুরু করেছিল। মুক্তির পর সাত সপ্তাহ গানটি টপ চার্টের প্রথমেই ছিল। সেরা পপ সলো পারফরম্যান্সের একটি হিসেবে ধরা হয় গানটিকে। এর বাইরে ব্ল্যাংক স্পেস গ্র্যামিতে ‘‌সং অব দ্য ইয়ার’ বিভাগেও মনোনয়ন পেয়েছিল।

টেইলর সুইফটের এরাস ট্যুর বছরের অন্যতম সেরা ট্যুরে পরিণত হয়েছে। এবারের ট্যুরটি এতই সফল যে এর মধ্যেই আগামী বছরের ট্যুর প্ল্যান করে ফেলেছেন টেইলর। এ বছরের ট্যুর শুরু করার সময় থেকেই টিকিটের জন্য বেশ সাড়া পড়েছিল। এর মধ্যে এ বছরের জুলাইয়ে টেইলরের ‘‌স্পিক নাউ’ বিলবোর্ড টপ চার্টে এসেছিল। তিনিই একমাত্র নারী সংগীতশিল্পী, যিনি সবচেয়ে বেশি বিলবোর্ড চার্টের ‘নাম্বার ওয়ান’ অ্যালবাম উপহার দিয়েছেন। ‘স্পিক নাউ’সহ মুক্তির পর বিলবোর্ড চার্টের শীর্ষস্থান দখল করা তার মোট অ্যালবামের সংখ্যা ১২টি। এর মাধ্যমে তিনি ছাড়িয়ে গেছেন আরেক শিল্পী বারবারা স্ট্রেইস্যান্ডকে। তার নাম্বার ওয়ান অ্যালবামের সংখ্যা ১১।

টেইলরের এরাস ট্যুরকে সামনে রেখে অ্যারিজোনার গ্লেনডেল শহরকে টেইলরের নামে নামকরণ করা হয়েছিল। এছাড়া স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটিতে তার নামে একটি সংগীতের কোর্স চালু করা হয়েছিল। অবশ্য এ বছরই প্রথম নয়, গত বছরও তার নামে একটি কোর্স চালু করেছিল বিশ্ববিদ্যালয়টি। এছাড়া বেলজিয়ান একটি বিশ্ববিদ্যালয়ও টেইলর সুইফটকে কেন্দ্র করে একটি কোর্স চালু করেছে।


সূত্র: বিলবোর্ড