কয়েক মাস ধরে গুঞ্জন চলছিল কেটি পেরি তার মিউজিক ক্যাটালগ বিক্রি করবেন। এর মূল্যমান কত হতে পারে তা নিয়েও চলছিল নানা কথা। অবশেষে মিউজিক ক্যাটালগ বিক্রি করলেন কেটি। লিটমাস মিউজিকের কাছে এ ক্যাটালগ বিক্রি করেছেন তিনি। এজন্য কেটি নিয়েছেন ২২ কোটি ৫০ লাখ ডলার। এ চুক্তি অনুসারে ২০০৮-২০ পর্যন্ত প্রকাশিত কেটির পাঁচটি অ্যালবাম রয়েছে। এগুলো হলো ওয়ান অব দ্য বয়েজ, টিনএজ ড্রিম, প্রিজম, উইটনেস ও স্মাইল। কেটি তার পাঁচটি অ্যালবাম প্রকাশের অধিকার দিয়েছেন লিটমাসকে। তবে এর মূল স্বত্ব থাকবে ইউনিভার্সাল মিউজিক গ্রুপের কাছেই।
মিউজিক ক্যাটালগ, এর বিক্রি ও লভ্যাংশের বিষয়টি বেশ জটিল। সহজ করে বলা যায় একজন শিল্পীর একাধিক গান, সংগীত (ইনস্ট্রুমেন্টাল হতে পারে) একত্রে মিউজিক ক্যাটালগ হিসেবে পরিচিত। পাশ্চাত্যে এসব গান ও অ্যালবাম প্রকাশ করে একটি প্রতিষ্ঠান। সেখান থেকে নিয়মিত রয়্যালটি পান শিল্পী। অনেক সময় শিল্পীর মৃত্যুর পর রয়্যালটি নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়। সে কারণে তারা জীবদ্দশায় মিউজিক ক্যাটালগ বিক্রি করে দেন। বিক্রি নানা চুক্তিতে হতে পারে। কেউ আংশিক বিক্রি করেন, কেউ পুরোটা।
কেটির মিউজিক ক্যাটালগ বিক্রির পেছনে কিছু নিজস্ব কারণ কাজ করেছে। ২০১০ সাল থেকেই তিনি সংগীতে তার ক্যারিয়ার ও পথচলা ধীর করেছেন। তিনি তার দাম্পত্য সঙ্গী অরল্যান্ডো ব্লুমের সঙ্গে সংসার করছেন এবং পরিবারে সময় দেয়ার পাশাপাশি শিক্ষা বিস্তার ও জনকল্যাণমূলক কাজে সময় দিচ্ছেন। এদিকে লিটমাস মিউজিক ২০২২ সালে এর প্রথম বড় প্রজেক্টটি করে। এরপর ডিসেম্বরে তারা কিথ আরবানের মাস্টার বেকর্ডিংয়ের স্বত্ব কিনে নেয়।
লিটমাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কেটি পেরির মতো একজন শিল্পীর কাজের অংশীদার ও প্রচারক হওয়ার ক্ষেত্রে তারা গর্ববোধ করছে। এছাড়া সহপ্রতিষ্ঠাতা ও সিইও হ্যাঙ্ক ফোরসাইথ বলেন, ‘বৈশ্বিক সংস্কৃতির সুতোয় কেটির গান একটি বিশেষ জায়গা ধরে রেখেছে।’
লিটমাস মিউজিক মূলত কারলাইল গ্লোবালের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান। কারলাইলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ম্যাট সেটল বলেন, ‘কেটি এখন বিশ্বের একজন সেরা শিল্পী। তার বহু গানই শ্রোতারা বারবার শোনে। কেটির মিউজিক ক্যাটালগ নিয়ে কাজ করা আমাদের জন্য বিশেষ অভিজ্ঞতা।’
এ সময়ে অনেক তারকা-শিল্পীই মিউজিক ক্যাটালগ বিক্রি করছেন। এর মধ্যে কেটি পেরির মিউজিক ক্যাটালগ সর্বোচ্চ মূল্যে বিক্রি হয়েছে।
সূত্র: বিলবোর্ড










