বুসানে আয়োজিত হলো একটি বিশেষ অনুষ্ঠান। বুসান চলচ্চিত্র উৎসবে চরকি আয়োজন করল চরকি বাংলাদেশ নাইট। এবার এ উৎসবে প্রদর্শিত হয়েছে বাংলাদেশের তিনটি সিনেমা। এর আগেও বুসানে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র প্রদর্শিত হয়েছে। বিষয়টি উদযাপন করতেই আয়োজনটি করেছে ওটিটি প্লাটফর্ম চরকি। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বুসান চলচ্চিত্র উৎসবের পরিচালক ন্যাম ডং চুল। আরো ছিলেন বুসান চলচ্চিত্র উৎসবের প্রোগ্রামার, আন্তর্জাতিক নির্মাতা, প্রযোজক, ফিল্ম ক্রিটিক, সাংবাদিকসহ অনেকে।

এ বছর প্রথমবার বুসান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের একই আসরে প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের তিনটি চলচ্চিত্র স্থান পেয়েছে। কিম জিসোক প্রতিযোগিতা বিভাগে আছে মোস্তফা সরয়ার ফারুকী পরিচালিত চরকি অরিজিনাল সিনেমা ‘‌সামথিং লাইক অ্যান অটোবায়োগ্রাফি’ বা ‘‌অটোবায়োগ্রাফি’। নিউ কারেন্টস বিভাগে স্থান পেয়েছে ইকবাল হোসাইন চৌধুরী পরিচালিত ‘‌বলী’ ও বিপ্লব সরকারের ‘‌আগন্তুক’। এছাড়া এশিয়ান প্রজেক্ট মার্কেটে আছে বাংলাদেশের একটি চিত্রনাট্য। এসব উদযাপন করতেই বাংলাদেশ নাইটের আয়োজন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে পর্দায় দেখানো হয় একটি ভিডিও চিত্র। এতে কান, টরন্টো, বুসান, রটারড্যামসহ বিশ্বের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চলচ্চিত্র উৎসবে নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশী সিনেমার ইতিহাস। এর মধ্যে রয়েছে তারেক মাসুদের ‘‌মাটির ময়না’, গোলাম রব্বানী বিপ্লবের ‘‌স্বপ্নডানায়’, মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর ‘‌থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার’ ও ‘টেলিভিশন’, আবদুল্লাহ মোহাম্মদ সাদের ‘রেহানা মরিয়ম নূর’ এবং নুহাশ হুমায়ূনের ‘‌মশারি’ ও ‘পেট কাটা ষ’। ভিডিও চিত্র প্রদর্শনের পর বক্তব্য রাখেন বুসান চলচ্চিত্র উৎসবের পরিচালক ন্যাম ডং চুল। তিনি বলেন, ‘‌বাংলাদেশী চলচ্চিত্রের জন্য এ রাত খুব গুরুত্বপূর্ণ। বুসানে এবারের আসরে বাংলাদেশের তিনটি সিনেমা দুটি প্রতিযোগিতায় ও একটি স্ক্রিপ্ট আছে এশিয়ান প্রজেক্ট মার্কেটে। ছবিগুলো সত্যিই দারুণ। গত ১০-১২ বছরে বাংলাদেশের সিনেমার জার্নি দেখে আমরা খুবই আনন্দিত।’