কন্নড় তারকা ঋষভ শেঠি। তিনি একাধারে অভিনেতা ও পরিচালক। ২০২৩ সালে ‘কানতারা’ দিয়ে তিনি মাইলফলক তৈরি করেছিলেন। এ বছর এল সিনেমাটির প্রিকুয়াল ‘কানতারা: চ্যাপ্টার ওয়ান’। এটি সারা বিশ্ব থেকে এরই মধ্যে তুলে নিয়েছে ৭০০ কোটি রুপির মতো। সিনেমার সাফল্য একটু ভিন্নভাবে উদযাপন করছেন ঋষভ। এর মধ্য দিয়ে আধ্যাত্মিকতার প্রতিফলন করছেন। ঋষভ ভারতের বিভিন্ন মন্দির ও প্রার্থনা গৃহে গিয়ে প্রার্থনা করছেন।
যাত্রার একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্ব ছিল বিহারের ঐতিহাসিক মুণ্ডেশ্বরী মন্দির পরিদর্শন। এটিকে বিশ্বের প্রাচীনতম মন্দির হিসেবে ধরা হয়। এর সমৃদ্ধ ঐতিহ্য ও প্রাচীন স্থাপত্য ভারতের গৌরবময় অতীতের প্রতীক, যা কানতরা: চ্যাপ্টার ওয়ানের বিশ্বাস, লোককথা ও সাংস্কৃতিক শেকড় উদযাপনের দৃষ্টিকোণ থেকে ঋষভের এ সফরকে এক অনন্য তাৎপর্য দেয়।
আধ্যাত্মিক এ ভ্রমণে ঋষভ পৌঁছেন বারাণসীর বিখ্যাত কাশী বিশ্বনাথ মন্দিরে। এ সফরের অনুপ্রেরণা ছিল তার সিনেমার সংলাপ, ‘মা গঙ্গা পথ প্রদর্শন করবে।’ বারাণসীর পবিত্র ঘাটে তার উপস্থিতি বলে যে কানতারা: চ্যাপ্টার ওয়ানের বিপুল সাফল্যের পেছনে রয়েছে ঈশ্বরের আশীর্বাদ ও দর্শকদের ভালোবাসা।
এ সফরের আরেকটি আবেগঘন মুহূর্ত ছিল মহীশুরের মন্দির ও শ্রীকান্তেশ্বর মন্দিরে তার প্রার্থনা। তার বিনয়ী স্বভাব ও ভারতীয় সংস্কৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা বারবার প্রকাশ পায় এভাবে যে খ্যাতির শিখরেও তিনি আধ্যাত্মিকতায় মাটির টানে ফিরে আসেন।
ঋষভ পরিচালিত, রচিত ও অভিনীত কানতারা: চ্যাপ্টার ওয়ান প্রযোজনা করেছেন বিজয় কিরগানদুর, হোমবেল ফিল্মসের ব্যানারে। ছবিতে অভিনয় করেছেন গুলশান দেবাইয়া, রুক্মিণী বসন্ত, জয়রাম, পিডি সতীশ চন্দ্র, প্রকাশ থুমিনাদ ও আরো অনেকে।
কন্নড়, হিন্দি, তেলেগু, মালয়ালম, তামিল, বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় মুক্তিপ্রাপ্ত এ ছবি নানা অঞ্চলের দর্শককে মুগ্ধ করছে, ঠিক যেমন ঋষভ শেঠির নিজস্ব কৃতজ্ঞতা ও বিশ্বাসের যাত্রাও চলচ্চিত্রের মতোই গভীর ও প্রাঞ্জল।
সূত্র: বলিউড হাঙ্গামা










