প্রভাসকে নিয়ে বাজিই ধরলেন প্রশান্ত নীল। তার কেজিএফের দুই অধ্যায় ব্লকবাস্টার হিট। কিন্তু প্রভাসকে নিয়ে সিনেমা করা এখন অনেকটাই চিন্তার বিষয়। কেননা প্রভাসের তিনটি সিনেমাই পরপর ফ্লপ। কিন্তু প্রশান্ত ভরসা রাখছেন প্রভাসের ওপর। মজার ব্যাপার, সালারের টিজার মুক্তির পর দর্শক প্রতিক্রিয়ায় মনে হচ্ছে প্রশান্ত নীল ভুল করেননি। প্রভাসকে যেভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, তাতে মনে হচ্ছে আরেকটি দক্ষিণী অ্যাকশন-ব্লকবাস্টার আসছে এ বছর। কিন্তু সেটি পরের কথা। দর্শক-ভক্তরা সালারের সঙ্গে যোগসূত্র পেয়েছেন কেজিএফের। সিনেমায় দেখানো কয়েকটি বিষয় চিহ্নিত করে প্রশান্ত, প্রভাস ও যশভক্তরা বলছেন সালার কেজিএফের সঙ্গে যুক্ত। তারা ধারণা করছেন, প্রশান্ত নীল নিজের একটি ইউনিভার্স তৈরি করছেন।
কেজিএফের পোস্ট ক্রেডিট সিনে কিছু গাড়ি দেখানো হয়েছিল। এর ওপরে লেখা নম্বরের সঙ্গে সালারের টিজারে দেখানো গাড়ির ওপর লেখা নম্বরে মিল খুঁজে পেয়েছেন দর্শক। সেখান থেকে ধারণা করা হচ্ছে কেজিএফের সঙ্গে যুক্ত এ সিনেমা। এছাড়া সিনেমার প্রচারে লেখা হয়েছে, ‘এক মরণাপন্ন বন্ধুকে দেয়া প্রতিজ্ঞা রক্ষা করা গ্যাং লিডারের গল্প।’ যদিও কেজিএফে মরণাপন্ন বন্ধুকে কোনো প্রতিজ্ঞা করতে অন্য বন্ধুকে দেখা যায় না।
সরাসরি মিল না থাকলেও কেজিএফের সঙ্গে সালারকে যুক্ত করা কঠিন কিছু নয়। তবে এ সিনেমার সঙ্গে প্রভাসের ‘সাহো’রও মিল লক্ষণীয়। প্রথমত, দুটো সিনেমারই অ্যাকশন ও একটি জায়গার উপস্থাপনা একই রকম। সাহোতে টিনু আনন্দ ছিলেন এবং সালারের ট্রেলারে তিনিই সালারের পরিচয় দেন। কনগরাজকে যে চ্যালেঞ্জ করেছেন প্রশান্ত, তাতে সন্দেহ নেই। কনগরাজ তার কাইথি, বিক্রম ও লিওর প্রধান চরিত্রদের একটি করে পশুর মনোগ্রাম দিয়েছেন। সালারের টিজারে টিনু আনন্দ বলেন, ‘সিংহ, চিতা, বাঘ আর হাতি ভয়ানক। তবে জুরাসিক পার্কে নয়।’ অর্থাৎ কনগরাজকেই যেন চ্যালেঞ্জ করলেন প্রশান্ত।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে










