বক্স অফিসে ঝড় থামছে না ব্রহ্মযুগের। রাহুল সদাশিবের পরিচালনায় নির্মিত সিনেমাটির চমক এরই মধ্যে কেরালার গণ্ডি ছাপিয়ে গেছে। গত শুক্রবার জানানো হয়, দর্শকের মধ্যে সিনেমা দেখার আগ্রহ ব্যাপকভাবে বেড়ে যাওয়ায় কেবল কেরালায়ই ১১০টির বেশি লেট নাইট শো চালু করা হচ্ছে। সিনেমাটি এর মধ্যেই ৭ দশমিক ৬৫ কোটি রুপি ঝুলিতে তুলেছে বিশ্বব্যাপী। কেবল ভারত থেকে সংগ্রহ করেছে ৫ দশমিক ৬ কোটি রুপি। এর আগে মামুত্থির সিনেমা ‘কাথাল’-এর রেকর্ড অতিক্রম করে গেছে। সিনেমাভক্তদের পাশাপাশি খোদ ইন্ডাস্ট্রির ভেতরেও ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হচ্ছে সিনেমাটি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারকারা তাদের অভিব্যক্তি জানাচ্ছেন। ‘দৃশ্যম’ সিনেমার পরিচালক জিতু জোসেফ নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। তিনি বলেন, ‘ব্রহ্মযুগ দেখলাম। সিনেমা দেখার এক ভিন্ন অভিজ্ঞতা। দেখা জরুরি।’

এর আগে গত বৃহস্পতিবার মামুত্থি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্রহ্মযুগের একটি দৃশ্য পোস্ট দেন। সেখানেই পোস্টের নিচে বহু মালয়ালম তারকা মন্তব্য করে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। তাদের মধ্যে ছিলেন ‍দুলকার সালমান, মমিতা বাইজু, শরৎ কুমার, সুরেশ পিল্লাই ও আরজে মাথুক্কুত্থি। মামুত্থির অনেক ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষীর পাশাপাশি বিখ্যাত তামিল চলচ্চিত্রনির্মাতা সেলভারাঘাবান লিখেছেন, ‘আমি আপনার অনেক বড় ভক্ত, স্যার।’ এদিকে অভিনেতা জায়সুরিয়াও সিনেমাটির প্রশংসা করেছেন। সেখানে মামুত্থির অভিনয়ের প্রশংসা করেছেন। নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে তিনি ব্রহ্মযুগের পোস্টার শেয়ার করেছেন। সেখানে বলেছেন, ‘দেখার মতো অভিনয়।’  

অভিনেতা হরিশ্রী আশোকানের পুত্র অর্জুন আশোকান সিনেমাটিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন। তিনিও সিনেমাটিকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন। কেরালা কৌমুদীর কাছে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘ব্রহ্মযুগের অর্জুনের অভিনয় ছিল তার ক্যারিয়ারে সবচেয়ে সেরা। তার অভিনয় থেকে আমি যারপর নাই অভিভূত। মামুত্থির প্রতি শ্রদ্ধা এমন বিচিত্র চরিত্র নির্বাচন করার জন্য। তিন অথবা চারটি চরিত্র নিয়ে ভালো চলচ্চিত্র বানানোটা আসলে দুঃসাহসিক একটা কাজ। তাদের প্রত্যেকটিকে আলাদা করে উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই। সবকিছুই চমৎকার ছিল। অর্জুনকে নিয়ে আমি গর্বিত। আমি মুগ্ধ এটা ভেবে, সে এত চরিত্রে অভিনয় করেছে।’

মুক্তি পাওয়ার আগেই ব্রহ্মযুগের ট্রেলার থেকে প্রশংসা করেছিলেন তামিল পরিচালক এন লিঙ্গুস্বামী। মাইক্রোব্লগিং প্লাটফর্ম এক্স (সাবেক টুইটারে) তিনি বলেছিলেন, ‘আমি বিস্মিত হই, কীভাবে মামুত্থি এত সিনেমা করার পরও বৈচিত্র্য ধরে রাখতে পেরেছেন। অপেক্ষা করছি, এবার তিনি কোনো জাদু নিয়ে আসতে যাচ্ছেন।’