মুক্তি পেয়েছে টেইলর সুইফটের অ্যালবাম নাইন্টিন এইটি নাইন টেইলর ভার্সন। এক সপ্তাহের মধ্যে অ্যালবামটি টেইলরকে দিয়েছে তার অ্যালবাম ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় সাফল্য। বিলবোর্ড টপ টু হানড্রেড চার্টে এ গান স্থান করে নিয়েছে। সপ্তাহ শেষে অ্যালবামটি ১৬ লাখ ৫৩ হাজার অ্যালবাম ইউনিট শুনেছে শ্রোতারা। এক বছর আগে মুক্তি পাওয়া টেইলরের ‘মিডনাইটস’ পেয়েছিল ১৫ লাখ ৭৮ হাজার অ্যালবাম ইউনিট। এর আগে তার এরাস ট্যুর ফিল্ম দর্শক মাতিয়েছে। টেইলর যেন নিজেকেই ছাড়িয়ে যাচ্ছেন বারবার।
টেইলর সুইফটের অ্যালবামটি মূলত নতুন করে তৈরি। তবে এটি মুক্তি পেয়েছিল ২০১৪ সালে। সেখান থেকে কিছু অদল-বদল করে নতুন অ্যালবাম তৈরি করেছেন টেইলর। ২০১৪ সালেও অ্যালবামটি ছিল সেরার তালিকায়। কিন্তু এ বছর এসে তৈরি করেছে মাইলফলক। কেননা ২০১৫ সালের পর কোনো শিল্পীর অ্যালবাম এতটা সাফল্য পায়নি। সর্বশেষ ২০১৫ সালে অ্যাডেলের টোয়েন্টি ফাইভ অর্জন করেছিল ৩৪ লাখ ৮২ হাজার অ্যালবাম ইউনিট।
যেমনটা উল্লেখ করা হয়েছে, এর আগে টেইলর সুইফট তার এরাস ট্যুর ফিল্ম দিয়ে দর্শক মাতিয়েছেন। সিনেমাটি অগ্রিমই আয় করেছিল মার্টিন স্করসেসি পরিচালিত কিলার্স অব দ্য ফ্লাওয়ার মুনের চেয়ে বেশি। এরপর এরাস ট্যুর ফিল্মের কারণে সিনেমাটি পিছিয়ে গিয়েছিল। এমনকি গত সপ্তাহেও টেইলরের সিনেমাটি আয় করেছে ১ কোটি ৩৫ লাখ ডলার। ট্যুর ফিল্মের এমন জনপ্রিয়তা ও ব্যবসায়িক সাফল্য অনেকদিন দেখা যায়নি। এর আগে এরাস ট্যুরও সফল হয়েছিল টেইলরের।
নাইন্টিন এইটি নাইন যে সাফল্য পেয়েছে তা পার করে যাওয়া কোনো অ্যালবামের জন্যই সহজ হবে না। স্পটিফাইয়ে অ্যালবাম মুক্তির প্রথমদিনই সর্বোচ্চ সংখ্যকবার শোনা হয়েছে তার অ্যালবাম। ২০২৩ সালে স্পটিফাইয়ের প্রথমদিনের শ্রোতা সংখ্যার হিসাবেও সেরা হয়েছেন টেইলর। মজার ব্যাপার, ২০১৪ সালে মুক্তি পাওয়া মূল অ্যালবামটিও গত সপ্তাহে বিলবোর্ড টপ চার্টের প্রথমদিকে ছিল।
এতসবের মধ্যেও এরাস ট্যুর চালিয়ে যাচ্ছেন টেইলর। ৯-১১ নভেম্বর তিনি পারফর্ম করবেন বুয়েন্স আয়ার্সে। এরপর সেখান থেকে যাবেন ব্রাজিলে। সব মিলিয়ে সময়টা সেরা যাচ্ছে টেইলর সু্ফটের। শোনা যাচ্ছে, ফুটবলার ট্র্যাভিস কেলসের সঙ্গেও সম্পর্কটা মধুর যাচ্ছে ৩৪ বছর বয়সী এ শিল্পীর।
সূত্র: ভ্যারাইটি










