নিনতেনদোর জনপ্রিয় ভিডিও গেম অবলম্বনে নির্মিত অ্যানিমেশন ফিল্ম ‘দ্য সুপার মারিও ব্রোস মুভি’ রীতিমতো শোরগোল ফেলে দিয়েছে। উত্তর আমেরিকার বাইরে আরো ৭০টি দেশে মুক্তি পেয়েছে এ অ্যানিমেশন সিনেমা। ইস্টারের ছুটিতে ভাঙছে একের পর এক বক্স অফিস রেকর্ড। সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছে ৫ এপ্রিল। এর মধ্যে ইস্টারের ছুটিতে উত্তর আমেরিকায় আয় করেছে প্রায় ১৬ কোটি ডলার আর বিশ্বজুড়ে আরো প্রায় ১৭ কোটি ডলার। সব মিলিয়ে সপ্তাহান্তে মোট আয় করেছে প্রায় ১৭ কোটি ডলার। অন্যান্য আয় মিলিয়ে মোট ৩৭ কোটি ডলার আয় করেছে সিনেমাটি। এ বছর কোনো সিনেমার জন্য অংকটি একটি রেকর্ড। 

নিনতেনদোর ভিডিও গেমের এ অ্যাডাপটেশন পরিবারের সবাইকে নিয়ে দেখার সিনেমা। টিকিট বিক্রিতে বিষয়টি ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে। সুপারহিরো সিনেমার বাইরে সে কারণে সুপার মারিও ব্রোস আলাদা একটি প্রভাব রেখেছে। ওয়াল্ট ডিজনির অ্যানিমেশন ফ্রোজেন টুর বৈশ্বিক সূচনা আয়ের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে ‘দ্য সুপার মারিও ব্রোস মুভি’। মারিও ২০২৩-এর প্রথম বিলিয়ন ডলার সিনেমা হবে বলে আশা করছেন বিশ্লেষকরা। ইউনিভার্সাল ডমেস্টিক ডিস্ট্রিবিউশন প্রধান জিম ওর বলেন, ‘‌সুপার মারিও ব্রোস মুভি বিভিন্ন ধরনের দর্শকদের সিনেমায় টেনে এনেছে।’

সিনেমাটি বেশকিছু রেকর্ড করেছে। এর মধ্যে প্রথমেই আসে অ্যানিমেশন সিনেমার ক্ষেত্রে এর রেকর্ড। সিনেমাটি ফ্রোজেন টুর রেকর্ড ভেঙেছে। ওয়াল্ট ডিজনির ফ্রোজেন টু মুক্তি পায় ২০১৯ সালের নভেম্বরে আয় করে ৩৫ কোটি ডলারের বেশি। সুপার মারিও ব্রোসের আগে এটিই ছিল অ্যনিমেশনে সবচেয়ে বড় ওপেনিং। এর বাইরে অ্যানিমেশনের ক্ষেত্রে সিনেমাটি দ্বিতীয় বড় ডমেস্টিক ওপেনিং পেয়েছে। পিক্সারের ‘‌ফাইন্ডিং ডোরি’ আয় করেছিল ১৩ কোটি ৫১ লাখ ডলার। ১৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার নিয়ে প্রথম অবস্থানে আছে ‘‌দি ইনক্রেডিবলস টু’। ডমেস্টিকের পাশাপাশি ইন্টারন্যাশনাল ওপেনিংয়েও সিনেমাটি দ্বিতীয়। ২০২৩ সালে মুক্তি পাওয়া সব সিনেমার মধ্যে সুপার মারিও ব্রোসের ওপেনিং আয় সর্বাধিক।

সূত্র: দ্য হলিউড রিপোর্টার