টেলিভিশন নাটক ও সিনেমার পরিচিত মুখ আজম খান। অভিনয় তার প্যাশন। পেশাগত জীবনের পাশাপাশি তাই নিয়মিত অভিনয় করেন তিনি। এর মধ্যে ঈদের সময় কাজ আরো বেশিই আসে। প্রতি ঈদেই তিনি বেশ কয়েকটি নাটকে অভিনয় করেন। কখনো সিনেমাও থাকে। চরিত্রে বৈচিত্র্য থাকলেও বাবা চরিত্রেই বেশি অভিনয় করা হয়।

এবারের কাজ প্রসঙ্গে আজম খান বলেন, ‘প্রতি বছরের মতো এবারো ঈদকে উপলক্ষ করে নাটক, টেলিফিল্ম আর বিজ্ঞাপন মিলিয়ে একগুচ্ছ কাজ করেছি। যথারীতি বাবা চরিত্রেই কাজ করা হয়েছে বেশি। বিভিন্ন টিভি চ্যানেল আর অনলাইন প্লাটফর্মে আমার দর্শক এ কাজগুলো দেখতে পারবে।’

আজম খান অভিনয় ও শোবিজে এসেছেন অনেক দিন হয়। অনেকটা শখের বশেই কাজ শুরু করেছিলেন। এক দশক পূরণ করলেন তিনি। এ নিয়ে বলেন, ‘এ বছর আমার কাছে অন্য কারণে অনেক বেশি স্মরণীয়। কারণ শোবিজে আমার কাজ করার এক দশক হবে আগামী ৩ জুলাই। মনে হয়, এই তো সেদিন শখ করে প্রথম ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছিলাম আমি। তারপর ধীরে ধীরে শোবিজ আমার দ্বিতীয় কাজে আর এখন রীতিমতো পেশায় পরিণত হয়েছে।’

এ দীর্ঘ যাত্রায় দর্শকের ভালোবাসা পেয়েছেন তিনি। এজন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন দর্শক, সহকর্মীদের।

ঈদে কাজ আসছে আজম খানের। কাজের বাইরেও ঈদ প্রত্যেকেরই ব্যক্তিগত উদযাপনের জায়গা। তবে ছেলেবেলার সঙ্গে এখনকার ঈদ উদযাপনে পার্থক্য আছে। এ নিয়ে তিনি বলেন, ‘ছোটবেলার ঈদ মানে বাবার সঙ্গে আমরা সব ভাই একসঙ্গে নামাজ পড়তে যেতাম। আর প্রতিবারই আমি হতাম লেট। বাবা কিন্তু আমার জন্য ওয়েট করত। বাসায় ফিরে মাকে পেতাম রান্নাঘরে। সেখানেই সালাম করতাম। তারপর বন্ধুদের সঙ্গে বেড়াতে বের হতাম, নতুন জামা পরে। এখন ঈদে পালন করি দায়িত্ব। বাবা আর মায়ের কবরস্থানে যাই। মেয়েকে নিয়ে তার পছন্দের জায়গায় যাই। ছোটবেলায় পছন্দের পোশাক কেনার জন্য বাবার কাছে বায়না ধরতাম। এখন নিজের জন্য আর কেনা হয় না। মেয়েকে কিনে দিতে পারলে ভালো লাগে।’