এক ছাত্রকে মারছেন রাহাত ফতেহ আলী খান—এমন একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল। একটি বোতল রাখা নিয়ে ছাত্রের ওপর ক্ষেপে গিয়ে তাকে শারীরিকভাবে আঘাত করেন শিল্পী। ঘটনাটি ভিডিও করে কেউ অনলাইনে পোস্ট করে। তার পর থেকেই সমালোচিত হন রাহাত। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে শিল্পীরাও রাহাতের এ আচরণের সমালোচনা করেন। পরবর্তী সময়ে এর একটি ব্যাখ্যাও দেয়ার চেষ্টা করেন রাহাত। নাভিদ হাসনাইন নামে সে ছেলেটির সঙ্গে আরেকটি ভিডিও আপলোড করেছিলেন তিনি। সমালোচনা কমেনি। এছাড়া কিং চার্লসের ট্রাস্ট রাহাতকে তাদের শুভেচ্ছাদূতের পদ থেকে প্রত্যাহার করেছে।

নাভিদকে সঙ্গে নিয়ে করা ভিডিওতে নাভিদ বলেন, ‘তিনি আমার শিক্ষক এবং বাবার মতোই। ভুল করলে যেমন সাজা দেন তেমনি ভালোও বাসেন। এটি শিক্ষক ও ছাত্রের মধ্যকার ঘটনা। কেউ একজন তার ভিডিও করে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে প্রকাশ করেছে।’ রাহাত জানান, ওই ঘটনার পর পরই তিনি নাভিদের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন।

কিন্তু ব্যাখ্যা দেয়ার সে ভিডিওতেও রাহাতের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ নিয়ে অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন। তাদের বক্তব্য, ভিডিওটি দেখে মনে হচ্ছে রাহাত জোর করে তাকে দিয়ে কথাগুলো বলিয়েছেন। রাহাতের দ্বিতীয় ভিডিও আসার পর ভারতীয় গায়িকা চিন্ময়ী শ্রীপদ লিখেছেন, ‘শিক্ষকের কাজ ছাত্রদের রক্ষা করা। তাদের সঙ্গে এ ধরনের আচরণ অমানবিক।’

রাহাত যতই ব্যাখ্যা দেন না কেন তিনি এ কাজের জন্য ভুগছেন। কেননা কিং চার্লস ট্রাস্ট তার সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদ করেছে। চার্লসের ব্রিটিশ এশিয়ান ট্রাস্টের এক মুখপাত্র বলেন, ‘আমরা কোনো রকম সংঘাতের সঙ্গে আপস করি না। সমর্থনও করি না। মিস্টার খানের আচরণ দুঃখজনক এবং এ কাজের জন্য ট্রাস্ট তার সঙ্গে সম্পর্কচ্ছেদ করছে।’ ২০১৭ সাল থেকে ট্রাস্টের শুভেচ্ছাদূত ছিলেন রাহাত ফতেহ আলী খান।

সূত্র: এনডিটিভি