টেইলর সুইফট আবারো সিনেমা হলে ফিরছেন। তার নতুন ইভেন্ট ফিল্ম দি অফিশিয়াল রিলিজ পার্টি অব আ শো গার্ল। এটি প্রথাগত কোনো বাণিজ্যিক সিনেমা না হলেও টেইলরের ইভেন্ট ফিল্ম দর্শক টানে। এর আগে তার এরাস ট্যুর কনসার্ট বক্স অফিসে হিট করেছিল। এবার ৮৯ মিনিটের ইভেন্ট ফিল্মটিও দর্শক টানবে বলে মনে করছেন হল মালিকরা।
টেইলরের এবারের ফিল্মে থাকছে একটি মিউজিক ভিডিও, পর্দার পেছনের দৃশ্য ও সুইফটের নিজস্ব মন্তব্য। এটি তার ১২তম অ্যালবাম দ্য লাইফ অব আ শো গার্লের সঙ্গে যুক্ত। ২০২৩ সালে এরাস ট্যুর ফিল্মের মতোই হতে যাচ্ছে এটি। প্রচলিত ধারার সিনেমা না হলেও সিনেমাটি সাড়ে ৩ থেকে ৪ কোটি ডলারের ওপেনিং পেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
থিয়েটার মালিকরা সুইফটকে এখন দর্শক টানার নিরাপদ উপায় হিসেবে দেখছেন। পেন সিনেমার মালিক পেন কেচাম বলেন, ‘ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই বুঝেছিলাম, এ সিনেমার জন্য জায়গা বরাদ্দ করতে হবে। ওর (টেইলর সুইফট) জন্য মানুষ পাগল।’
তবে শুধু সুইফট নন, অন্যান্য অপ্রত্যাশিত চলচ্চিত্রও সাম্প্রতিক মাসগুলোয় বক্স অফিস চাঙ্গা করেছে। সেপ্টেম্বরকে বক্স অফিসের জন্য দুর্বল সময় মনে করা হয়েছিল। কিন্তু ডেমন স্লেয়ার: ইনফিনিটি কাসল আয় করেছে ৭ কোটি ডলার। দ্য কনজুরিং: লাস্ট রাইটস আয় করেছে ৮ কোটি ৪০ লাখ ডলার। সিনেমাটি এত আয় করবে কেউ চিন্তাই করেনি। নেটফ্লিক্সের কেপপ: ডেমন হান্টারস সিং অ্যালঙ্গ নামে বিশেষ সংস্করণে মাত্র দুদিনে ১ কোটি ৮০ লাখ ডলার আয় করেছে।
রিগ্যাল থিয়েটারের সিইও এদুয়ার্দো একুনা বলেন, ‘দর্শক নতুনত্ব চায়। সিনার্স ও এ মাইনক্র্যাফচ মুভি ভালো করেছে, কিন্তু মার্ভেল, মিশন: ইম্পসিবলের মতো ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলো ব্যর্থ হয়েছে। ডিসি স্টুডিওসের পিটার সাফরান বলেন, ‘এটা ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রতি ক্লান্তি বা বিরক্তি নয়, এটা মাঝারি মানের সিনেমার ক্লান্তি।’
একুনা বলেন, ‘সব সিনেমা খারাপ ছিল না। মানুষ জানতই না যে সেগুলো মুক্তি পেয়েছে।’
এমন এক বছরে যেখানে সাহসী ও মৌলিক সিনেমাগুলো সফল হচ্ছে, টেইলর সুইফটের শো গার্ল ইভেন্ট সে ধারার আরেকটি উদাহরণ।
সূত্র: ভ্যারাইটি










