লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও ১৯৯৫ সালে অভিনয় করেছিলেন শ্যারন স্টোনের সঙ্গে। সিনেমার নাম ‘‌দ্য কুইক অ্যান্ড দ্য ডেড’। সিনেমার পরিচালক স্যাম রাইমি। কিন্তু সিনেমাটি নির্মাণের সময় তাকে চায়নি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান। শ্যারন স্টোন এতটাই আগ্রহী ছিলেন ডিক্যাপ্রিওকে নিয়ে যে তিনি নিজেই তার পারিশ্রমিকের দায়িত্ব নেন। এর আগে ১৯৯৩ সালে ডিক্যাপ্রিও অভিনয় করেছিলেন ‘‌হোয়াট ইটিং গিলবার্ট গেপ’ সিনেমায়। এটি দেখেই শ্যারন স্টোন তার সঙ্গে অভিনয়ের জন্য আগ্রহী হন। সম্প্রতি ই-নিউজের সঙ্গে কথোপকথনে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও।

সিনেমায় কাস্ট করা হয়েছিল রাসেল ক্রোকে। সে সময়ের কথা স্মরণ করে লিও বলেন, ‘শ্যারন বলেছিলেন, ‘‌‘‌‍আমি এ দুজন অভিনেতার সঙ্গে কাজ করতে চাই। এটা একটা অসাধারণ সুযোগ হবে আমার জন্য।’’ তার এ কথা বা আগ্রহের ব্যাপারটা স্বতন্ত্র উদাহরণ। অন্যদের জন্য সুযোগ তৈরি করা ও তাদের অনুপ্রাণিত করার জন্য আমি তার কাছে কৃতজ্ঞ।’ এর পাশাপাশি লিওনার্দো আরো যোগ করেন, ‘‌আমি তাকে নানা সময়ই ধন্যবাদ দিয়েছি। অবশ্য কখনো ঘটা করে ধন্যবাদ দিয়েছি বলে মনে পড়ে না। আসলে ধন্যবাদ দিয়ে এ কৃতজ্ঞতা প্রকাশও করা যায় না।’

২০২১ সালে শ্যারন স্টোনের স্মৃতিকথা ‘‌দ্য বিউটি অব লিভিং টোয়াইস’ প্রকাশ হয়। সেখানে তিনি এ বিষয় নিয়ে লিখেছিলেন। তার ভাষায়, ‘‌অডিশনে লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও নামের ছেলেটিই সবচেয়ে ভালো অভিনয় করেছিল। সেই একমাত্র ব্যক্তি যে রোলের জন্য উপযুক্ত ছিল।’ এর পরপরই শ্যারন জানিয়েছেন, সিনেমাটির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ট্রাইস্টার পিকচার্স লিওকে কাস্ট করতে চায়নি। শ্যারন লিখেছেন, ‘‌তারা বলল, একজন অপরিচিত মুখকে কেন সুযোগ দিতে হবে। আমি বারবার নিজের পায়ে নিজে কুড়াল মারি। স্টুডিও আমাকে আরো বলেছিল যে আমি যদি তাকেই কাস্ট করতে চাই, তাহলে যেন তার পারিশ্রমিক নিজের পকেট থেকে দিই। আমি সেটাই করেছিলাম।’

সেদিন লিওনার্দোকে নিজের খরচে সিনেমায় আনার বিষয়টি পরবর্তী সময়ে শ্যারন স্টোনকে সিনেমা প্রযোজনায় নিয়ে আসে। তবে অন্যদের মতো তিনি সেই প্রযোজক হতে চাননি যে সব ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করে। শ্যারন বলেন, ‘‌আমি আইনের ভেতর থেকে অন্যদের সুযোগ দিতে চাই।’

সূত্র: ভ্যারাইটি