চলছে টেইলর সুইফটের এরাস ট্যুর। এ ট্যুরকেন্দ্রিক তিনটি কনসার্ট হওয়ার কথা ছিল ভিয়েনায়। কিন্তু কনসার্টগুলো বাতিল হয়। কারণ হিসেবে বলা হয়েছিল আইএসের হামলার কথা। কনসার্ট বাতিল হলেও টেইলর সুইফটের ভক্ত তথা সুইফটিরা ভিয়েনার সড়কে নেমে গান করেছিলেন। ঘটনার বেশ কিছুদিন পর এ নিয়ে টেইলর সুইফট কিছু বললেন। ইনস্টাগ্রাম পোস্টে তিনি জানান, কনসার্ট বাতিল হওয়া নিয়ে অপরাধবোধে ভুগেছেন তিনি। 

নিজের ইনস্টাগ্রাম পোস্টের শিরোনামে টেইলর লিখেছেন, এটি রীতিমতো বিধ্বংসী একটা বিষয় ছিল। ২১ আগস্ট রাতে করা পোস্টে তিনি লেখেন, ‘কনসার্ট বাতিলের কারণটি আমাকে রীতিমতো ভীত করেছে। এ অনুভূতি আমার জন্য নতুন। আগে কখনো এমন হয়নি। আমার মধ্যে অপরাধবোধও তৈরি হয়েছে, কেননা অনেকেই কনসার্টকে কেন্দ্র করে আগে থেকেই পরিকল্পনা নিয়েছিলেন। তাদের পরিকল্পনা ভেস্তে গেছে।’

কনসার্টের আগে অস্ট্রিয়ান পুলিশ তিন যুবককে গ্রেফতার করে। এদের বয়স ১৭-১৯ বছর। আইএসের সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায় এবং ধারণা করা হচ্ছিল, টেইলরের কনসার্টে নাশকতার পরিকল্পনা করেছিল এরা। সে কারণেই নিরাপত্তার স্বার্থে কনসার্টটি বাতিল করে কর্তৃপক্ষ। এজন্য অবশ্য কর্তৃপক্ষের প্রশংসা করেছেন গায়িকা। তিনি লিখেছেন, ‘তবু ভালো, তারা কনসার্টের চেয়ে মানুষের জীবনকে মূল্যবান মনে করেছেন।’

এর সঙ্গে তিনি যুক্ত করেন, ‘আমার মাথায় ছিল ইউরোপের ট্যুরটা দ্রুত ও নিরাপদে শেষ করা। এখন আমি বলতে পারব, এ কাজ ঠিকমতো করা সম্ভব হয়েছে।’

টেইলর সুইফটের এরাস ট্যুর রীতিমতো ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। কেবল সংগীত নয়, এ ট্যুর ও ট্যুর কনসার্ট অবদান রেখেছে অর্থনীতিতেও।

ভিয়েনার কনসার্ট বাতিল হওয়ার পর তিনি লন্ডনের কনসার্ট নিয়ে ব্যস্ত হন। নিজে উপস্থিত থেকে তিনি এ কনসার্টের প্রস্তুতি নিয়েছেন। টেইলর লেখেন, ‘প্রায় পাঁচ লাখ লোকের জন্য এ আয়োজন। আমি ও আমার টিম হাতে হাত মিলিয়ে সব কাজ করেছি। তাদের এ কাজ ও আমার পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ দিতে চাই। সেই সঙ্গে কনসার্টে আসার আহ্বান জানাচ্ছি আমার ভক্তদের।’

লন্ডন কনসার্ট ছাড়াও আগামী নভেম্বর ও ডিসেম্বরে তিনি কনসার্ট করবেন কানাডায়। তার এবারের কনসার্ট এরই মধ্যে আয় করেছে ১০০ কোটি ডলারের বেশি।

সূত্র: ইয়ন