চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোটের তারিখ তিনদিন পিছিয়েছে। আগামী ১৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে ভোট। ফলে ১২ থেকে ১৮ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের সব পরীক্ষা স্থগিত থাকবে। আর ক্লাস বন্ধ থাকবে ১৪ থেকে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত। বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকসু ভবনের দ্বিতীয় তলায় গতকাল এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানায় চাকসু নির্বাচন কমিশন।
সংবাদ সম্মেলনে কমিশনের সদস্য সচিব একেএম আরিফুল হক সিদ্দিকী বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনের সদস্যদের বৈঠক হয়েছে। সেখানে নতুন প্রক্টর হোসেন শহীদ সরওয়ার্দী ও সহকারী প্রক্টর ইসমত আরা হক শপথ নেন। প্রার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচন তিনদিন পেছানো হয়েছে।’
এদিকে সোমবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের তারিখ পেছানো হয়েছিল। সেখানে ২৫ সেপ্টেম্বর ভোট গ্রহণ হওয়ার কথা থাকলেও নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১৬ অক্টোবর। ফলে অক্টোবরে পরপর দুই দিনে চাকসু ও রাকসু নির্বাচন হতে যাচ্ছে।
ভোট পেছানোর কারণ ব্যাখ্যা করে অধ্যাপক আরিফুল হক জানান, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় শিক্ষার্থী ও বেশির ভাগ প্রার্থী নির্বাচনের তারিখ পেছানোর অনুরোধ করেছিলেন। তাদের ভাষ্য ছিল, প্রচারের জন্য তারা যথেষ্ট সময় পাচ্ছেন না। ২৫ সেপ্টেম্বর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে। এর পরদিন থেকে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। যেদিন খুলবে সেদিন থেকে মাত্র পাঁচদিন সময় থাকবে প্রচারের জন্য।
প্রার্থীদের আশঙ্কা, ক্যাম্পাস শহর থেকে দূরে হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় খোলার পর সব শিক্ষার্থী না-ও পৌঁছতে পারেন। এ কারণে তারা অনুরোধ জানান, প্রচারের জন্য দুই-একদিন সময় বাড়িয়ে দিতে। আবার নির্বাচন কমিশনও মনে করে, পাঁচ কর্মদিবস প্রস্তুতির জন্য যথেষ্ট না-ও হতে পারে। যেহেতু নির্বাচনে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনবলের সম্পৃক্ততার বিষয় আছে।
অধ্যাপক আরিফুল হক বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন অফিসের প্রস্তুতি, শিক্ষার্থীদের আগ্রহ, এসব মিলিয়ে আমরা উপাচার্যের সঙ্গে মতবিনিময় করেছি। কমিশনের বৈঠকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিষয়টি উত্থাপনের পর সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতে ১২ অক্টোবরের পরিবর্তে ১৫ অক্টোবর ভোটের তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় করা হয়েছে বুধবার। এছাড়া নির্বাচনের কারণে ১২ থেকে ১৮ অক্টোবর বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিভাগ ও ইনস্টিটিউটের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। আর নিয়ম অনুযায়ী নির্বাচনের পরদিন বিশ্ববিদ্যালয় ছুটি থাকবে।’










