পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, প্লাস্টিক দূষণ রোধে বিশ্বকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আমরা একটি উচ্চাভিলাষী গ্লোবাল প্লাস্টিক চুক্তির জন্য সম্মিলিতভাবে কাজ করার সুযোগ পেয়েছি। আমাদের জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণেও একসঙ্গে কাজ করতে হবে।

বুধবার (২৮ আগস্ট) কাজাখস্তানের রাজধানী আস্তানায় মিনিস্ট্রিরিয়াল কনফারেন্স অন ইন্টারঅ্যাকশন অ্যান্ড কনফিডেন্স বিল্ডিং মেজারস ইন এশিয়া (সিআইসিএ) অনুষ্ঠানে সচিবালয়ে তার অফিস কক্ষ থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এ কথা বলেন।

পরিবেশ উপদেষ্টা বলেন, বিশ্বের পানিসম্পদের মূল্যায়ন করা এবং সেগুলোর সুরক্ষা ও ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য একটি ন্যায়সঙ্গত ব্যবস্থা গড়ে তোলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় বিশ্বে প্রচুর পরিমাণে প্রযুক্তি, উদ্ভাবন ও মানবসম্পদ রয়েছে, যা বিশ্ববাসীর কল্যাণে কাজে লাগানো এবং ভাগাভাগি করা উচিত।

সৈয়দা রিজওয়ানা বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশকে তাদের শেয়ার করা সম্পদ, যেমন যৌথ নদী ও বন রক্ষা করার জন্য একসঙ্গে কাজ করতে হবে। আমাদের বায়ু দূষণসহ অন্যান্য সাধারণ উদ্বেগগুলোও সমাধান করতে হবে। বাস্তব সময়ের তথ্য সংগ্রহ এবং সর্বোত্তম অভ্যাসগুলো শেয়ার করার মাধ্যমে বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশ বায়ুদূষণ থেকে মুক্তি পেতে সক্ষম হবে।

তিনি বলেন, সিআইসিএ-এর মধ্যে একসঙ্গে কাজ করে আসুন আমাদের অঞ্চলের একটি টেকসই ভবিষ্যতের জন্য অবদান রাখি এবং আমাদের গ্রাম ও শহরের প্রতিটি নারী ও পুরুষ এবং আগামী প্রজন্মের জন্য পরিবেশগত ও জলবায়ু ন্যায়বিচার নিশ্চিত করি। আসুন আমরা একসঙ্গে একটি শূন্য কার্বন ভবিষ্যৎ অর্জনের জন্য প্রচেষ্টা করি।