চট্টগ্রাম বন্দরে নতুন মাশুল কার্যকরের সময় এক মাস পিছিয়েছে। শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বন্দর মিলনায়তনে এক কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান নৌপরিবহন উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন।
উপদেষ্টা বলেন, ‘ট্যারিফ আরো এক মাস রিলিফ দেয়া হচ্ছে। চেয়ারম্যান সাহেবের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। তার পরামর্শেই আমরা কার্যকর করার সময় এক মাস পিছিয়ে দিলাম।’
চট্টগ্রাম বন্দরের নতুন মাশুল সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছিল গত ১৪ সেপ্টেম্বর। সে অনুযায়ী, আগের তুলনায় গড়ে ৪১ শতাংশ মাশুল বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে বেশি বেড়েছে কনটেইনার পরিবহনের মাশুল। পরদিনই সেটি কার্যকর হওয়ার কথা ছিল। তবে এর সময় পেছানো হলেও এ বিষয়ে এখনো নতুন কোনো প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি।
বে-টার্মিনাল প্রসঙ্গে নৌ-উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা ডিসেম্বরের মধ্যে চুক্তি করতে পারব বলে আশা করি। কারণ এর জন্য বিশ্বব্যাংক অর্থ দিয়েছে এবং তারাও দ্রুত চুক্তি সম্পন্ন করতে চায়। আশা করছি, এ বছরের মধ্যেই সব কাগজপত্রের কাজ শেষ হবে। এরপর নতুন সরকার কাজ শুরু করবে।’
এর আগে বন্দর মিলনায়তনে ‘কাস্টমস ও বন্দর ব্যবস্থাপনা: সমস্যা, সম্ভাবনা ও অগ্রগতির পথ’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) আয়োজিত এ কর্মশালায় সহযোগিতা করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ।
অনুষ্ঠানে নৌপরিবহন উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সরকার ‘ন্যাশনাল পোর্ট স্ট্র্যাটেজি’ প্রণয়নের কাজ করছে, যা এ বছরের মধ্যেই চূড়ান্ত হবে।
কর্মশালায় অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিশেষ সহকারী আনিসুজ্জামান চৌধুরী, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মোহাম্মদ ইউসুফ, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এস এম মোনিরুজ্জামান এবং চট্টগ্রামের অতিরিক্ত কমিশনার নুসরাত সুলতানা ছিলেন। কর্মশালার সভাপতিত্ব করেন ইআরডি সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী।










