গত ২৬ আগস্ট বণিক বার্তায় প্রকাশিত ‘সিআরআই ও হোয়াইট বোর্ড: রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি ও তার পরামর্শক পর্ষদ’ শীর্ষক প্রতিবেদনটির বিষয়ে সংশোধনী দিয়েছেন ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ্। 

সংশোধনীর বার্তায় আসিফ সালেহ্‌ বলেছেন, প্রথমত, আমি রাদওয়ান সিদ্দিকের কোনো পরামর্শক পরিষদের সদস্য নই। দ্বিতীয়ত, ২০২০ সালের শেষ প্রান্তে পলিসি ম্যাগাজিন ‘হোয়াইটবোর্ড’ (WhiteBoard)-এর সম্পাদকীয় উপদেষ্টা পরিষদে (Editorial Advisory Board) সামাজিক সেক্টরের প্রতিনিধি হিসেবে আমাকে যোগ দিতে আমন্ত্রণ জানানো হয়। সম্পূর্ণ নির্দলীয় একটি ভূমিকায় পলিসি বিষয়ে এনগেজমেন্টের অংশ হিসেবে আমি আমন্ত্রণ গ্রহণ করি এবং পরবর্তী সময়ে আমি জলবায়ু পরিবর্তনে সরকার ও বেসরকারি সংগঠনের ভূমিকার ওপর একটি লেখা দিই। তৃতীয়ত, এই বোর্ডে বিভিন্ন সেক্টরের প্রতিনিধিত্বকারী পেশাজীবী ও একাডেমিকদের ভূমিকা ছিল মূলত ম্যাগাজিনের বিষয় নির্বাচনে মন্তব্য দেয়া। এর বাইরে সেখানে আমার আর কোনো ভূমিকা ছিল না। পাশাপাশি এটাও পরিষ্কার করে রাখা প্রয়োজন, সিআরআইয়ের অন্য কোনো কর্মকাণ্ডের সঙ্গে আমার কোনো রকম সম্পৃক্ততা কখনই ছিল না।

প্রতিবেদকদ্বয়ের বক্তব্য: সাংবাদিকতার সব নিয়ম মেনেই প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে। সিআরআই ও হোয়াইট বোর্ডের সঙ্গে ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ্‌ সংশ্লিষ্টতার নথি বণিক বার্তার কাছে সংরক্ষিত রয়েছে। সেসব নথি এবং আওয়ামী লীগের অফিশিয়াল ওয়েবসাইট ও ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজের তথ্যমতে, সিআরআই হলো দলটির অফিশিয়াল গবেষণা ও প্রচারণার দায়িত্ব পালন করা একটি সংস্থা। সিআরআইয়ের ফ্ল্যাগশিপ প্রকাশনা হচ্ছে হোয়াইট বোর্ড ম্যাগাজিন। সিআরআই এবং হোয়াইট বোর্ড ম্যাগাজিনকে বিচ্ছিন্ন কিছু ভাবার সুযোগ নেই। হোয়াইট বোর্ডের প্রধান সম্পাদক রাদওয়ান মুজিব সিদ্দিক ববি। আর প্রকাশনাটির উপদেষ্টা পর্ষদে ‘সম্পাদকীয় উপদেষ্টা’ বা পরামর্শক হিসেবে রয়েছেন ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ্।