সাম্প্রতিক সময়ে অর্থ পাচারের অভিযোগে তদন্তের মুখে থাকা ব্যবসায়ী দীপক ভট্টের সঙ্গে তার ব্যবসায়িক সম্পর্কের অভিযোগ নিয়ে শুরু হওয়া বিতর্কের জেরেই পদত্যাগ করলেন তিনি।

গত বছর নেপালে হয়ে যাওয়া জেনজি আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নেতা সুদান গুরুং। আন্দোলনের নেতৃত্ব দেয়া প্লাটফর্ম ‘হামি নেপালের’ অন্যতম সংগঠক ছিলেন তিনি। ওই আন্দোলনে কেপি শর্মা অলি সরকারের পতন ঘটেছিল।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেয়া এক পোস্টে পদত্যাগের ঘোষণা দেন গুরুং। তিনি বলেন, ‘আমার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোয় নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করতে এবং দায়িত্বে থাকা অবস্থায় কোনো ধরনের স্বার্থের সংঘাত বা তদন্ত প্রক্রিয়ায় প্রভাব এড়াতে আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদ থেকে অবিলম্বে পদত্যাগ করছি।’ তিনি আরো জানান, সাম্প্রতিক সময়ে তার বিনিয়োগ, বিশেষ করে শেয়ারবাজারে অংশগ্রহণ নিয়ে জনমনে যে প্রশ্ন উঠেছে, সেগুলো তিনি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেছেন।

গুরুং লেখেন, ‘আমার কাছে পদ-পদবি থেকে নৈতিকতা বড়। জনবিশ্বাসের চেয়ে শক্তিশালী আর কিছু নেই। দেশে চলমান জেনজি আন্দোলন, যা সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা দাবি করছে, সেই আন্দোলনও একই বার্তা দিয়েছে—জনজীবন হতে হবে স্বচ্ছ এবং নেতৃত্বকে হতে হবে জবাবদিহিমূলক।’

তিনি আরো উল্লেখ করেন, ‘আমার ৪৬ সহযোদ্ধার রক্ত ও আত্মত্যাগের ভিত্তিতে গঠিত এ সরকারের ওপর কেউ প্রশ্ন তুললে তার উত্তর একটাই—নৈতিকতা।’