উড়োজাহাজ সরবরাহে চমক দেখাল ব্রাজিলের প্রতিষ্ঠান এমব্রেয়ার। চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) ক্রেতাদের কাছে রেকর্ড ২৫টি জেট সরবরাহ করেছে আকাশযান নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি, যা সাত বছরের যেকোনো প্রান্তিকের চেয়ে সর্বোচ্চ। খবর রয়টার্স।
বছরের প্রথম তিন মাসে ক্রেতাদের এমব্রেয়ারের পাঠানো আকাশযানের মধ্যে ছিল সাতটি বাণিজ্যিক উড়োজাহাজ ও ১৮টি এক্সিকিউটিভ জেট। ২০২৩ সালের একই প্রান্তিকের তুলনায় এটি ৬৭ শতাংশ রেকর্ড প্রবৃদ্ধির প্রতিফলন।
বোয়িং ও এয়ারবাসের পর বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত এমব্রেয়ার। এছাড়া প্রতিরক্ষা খাতেও কোম্পানিটির উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে। সম্প্রতি গত প্রান্তিকের বিক্রির তথ্য জানিয়ে এক বিবৃতিতে এমব্রেয়ারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, মার্চে শেষ হওয়া প্রান্তিকে এমব্রেয়ার আয় করেছে ২১১ কোটি ডলার, যা সাত বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। জানুয়ারি-মার্চের আগের প্রান্তিক অর্থাৎ, ২০২৩ সালের শেষ প্রান্তিকের (অক্টোবর-ডিসেম্বর) তুলনায় আয় বেড়েছে ১৩ শতাংশ।
চলতি বছরের চার প্রান্তিক মিলিয়ে ৭২-৮০টি বাণিজ্যিক এয়ারক্রাফট সরবরাহের পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে বলে জানিয়েছে এমব্রেয়ার। এছাড়া একই সময়ে এক্সিকিউটিভ জেট সরবরাহের লক্ষ্যমাত্রা নেয়া হয়েছে ১২৫-১৩৫টি।
কভিড-১৯ মহামারীতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া শিল্পগুলোর একটি এভিয়েশন খাত। মহামারীর ধাক্কায় সারা বিশ্বে চলাচল সীমিত হয়ে পড়ে, এতে উড়োজাহাজ বিক্রিতে ভাটা পড়ে। এর ব্যতিক্রম ছিল না এমব্রেয়ারও। কভিডের ধাক্কা সামলে ২০২২ সালের শেষের দিকে মুনাফায় ফিরতে শুরু করে কোম্পানিটি। এরই ধারাবাহিকতায় ক্রয়াদেশ ও সরবরাহ বেড়েছে। এছাড়া প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানের একাধিক দুর্ঘটনা এমব্রেয়ারের ক্রয়াদেশ বৃদ্ধির অন্যতম কারণ বলেও মনে করেন এভিয়েশন খাতের বিশ্লেষকরা।










