জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ‘গণঅভ্যুত্থান ২০২৪: বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অবদান ও শহীদদের স্মরণে’ শিরোনামে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল আয়োজন করেছে স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ।
রোববার (২০ জুলাই) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ক্যাম্পাসে এই আয়োজন শুরু হয়। সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতার হোসেন খান।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শহীদ মাহামুদুর রহমান সৈকতের পরিবারের প্রতিনিধি ও অন্যান্য শহীদ পরিবারের সদস্যরা। আরো উপস্থিত ছিলেন প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. নওজিয়া ইয়াসমিন, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. হাসান কাউসার ও রেজিস্ট্রার ড. আহমেদ হোসাইন।
অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক ও বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। শুরুতেই শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয় ও তাদের আত্মার শান্তি কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী স্টেট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা সেই সময়কার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন ও অভ্যুত্থান-সম্পর্কিত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করেন। বক্তৃতায় তারা গণতন্ত্র ও ন্যায়ের পক্ষে নিজেদের ভূমিকা, আত্মত্যাগ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতি দায়বদ্ধতার কথা তুলে ধরেন।
অনুষ্ঠানে ‘জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান যে স্বপ্ন আমাদের দেখিয়েছে, তা পরিপূর্ণভাবে বাস্তবায়ন হয়নি’—এই বিষয়ের পক্ষে ও বিপক্ষে একটি বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। যুক্তিনির্ভর ও আবেগঘন বক্তব্যে শিক্ষার্থীরা সমাজ ও রাষ্ট্রচিন্তার নানা দিক তুলে ধরেন। শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেয়া হয়।
অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আখতার হোসেন খান ও প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. নওজিয়া ইয়াসমিন বক্তব্য দেন। তারা শহীদদের স্মৃতি ধরে রাখা ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেশপ্রেম ও গণতান্ত্রিক চেতনা জাগ্রত করার আশা প্রকাশ করেন।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, পুরো আয়োজনের পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। তাদের অনেকেই সরাসরি জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে অংশ নিয়েছিলেন।
—বিজ্ঞপ্তি










