রাষ্ট্রায়ত্ত বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) গত সপ্তাহে শেয়ারদর বেড়েছে ১৫ দশমিক ৫৫ শতাংশ। আলোচ্য সপ্তাহে কোম্পানিটির সমাপনী শেয়ারদর দাঁড়িয়েছে ৬৩ টাকা ৯০ পয়সা, আগের সপ্তাহে যা ছিল ৫৫ টাকা ৩০ পয়সা। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
চলতি ২০২৩-২৪ হিসাব বছরের তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) প্রতিষ্ঠানটির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত লোকসান হয়েছে ৩ টাকা ৮ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছিল ৫৭ পয়সা। গত ৩১ মার্চ শেষে আইসিবির শেয়ারপ্রতি সমন্বিত নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৪৮ টাকা ৭০ পয়সায়।
সর্বশেষ ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের আড়াই শতাংশ নগদ ও আড়াই শতাংশ স্টক লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে ৭৭ কোটি ৫৮ লাখ টাকা কর-পরবর্তী সমন্বিত নিট মুনাফা করেছে আইসিবি, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১৪৪ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। এক বছরের ব্যবধানে প্রতিষ্ঠানটির নিট মুনাফা কমেছে ৪৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে প্রতিষ্ঠানটির ইপিএস হয়েছে ৯২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৭১ পয়সা। গত ৩০ জুন শেষে প্রতিষ্ঠানটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৫৩ টাকা ৩৪ পয়সায়, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫২ টাকা ৯৪ পয়সা।
সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য মোট ১০ শতাংশ লভ্যাংশের সুপারিশ করেছে আইসিবির পর্ষদ। এর মধ্যে ৫ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে আইসিবির কর-পরবর্তী সমন্বিত নিট মুনাফা হয়েছে ১৪৪ কোটি ৫৮ লাখ টাকা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১১৫ কোটি ৩৩ লাখ টাকা। সে হিসাবে এক বছরের ব্যবধানে কোম্পানিটির নিট মুনাফা বেড়েছে ২৫ দশমিক ৩৬ শতাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির সমন্বিত ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৭৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৪৩ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির সমন্বিত এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৫৫ টাকা ৫৯ পয়সায়, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ৪৫ টাকা ৯৮ পয়সা।
২০২০-২১ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে আইসিবি।
রাষ্ট্রায়ত্ত বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠানটি ১৯৭৭ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হয়। এর অনুমোদিত মূলধন ১ হাজার কোটি টাকা। বর্তমানে পরিশোধিত মূলধন ৮৬৭ কোটি ২৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ২ হাজার ৯১০ কোটি ৫৪ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৮৬ কোটি ৭২ লাখ ৫৮ হাজার ৯৬১। এর মধ্যে ৬৯ দশমিক ৪৯ শতাংশ উদ্যোক্তা-পরিচালক, ২৭ শতাংশ সরকার, ১ দশমিক ৮৮ শতাংশ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও বাকি ১ দশমিক ৬৩ শতাংশ সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে রয়েছে।










