প্রকৌশল খাতে তালিকাভুক্ত আনোয়ার গ্যালভানাইজিং লিমিটেডের ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘ডাবল এ মাইনাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-টু’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩১ মার্চ ২০২৪ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (সিআরআইএসএল)।
চলতি ২০২৩-২৪ হিসাব বছরের তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) আনোয়ার গ্যালভানাইজিংয়ের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৩ টাকা ৫৪ পয়সা। আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৩ টাকা ২৬ পয়সা। ৩১ মার্চ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৬ টাকা ৬৮ পয়সা।
সর্বশেষ ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৯৭ পয়সা। আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬ টাকা ৪১ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)।
এর আগে ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ২০ শতাংশ নগদ ও ৮০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ ঘোষণা করে কোম্পানিটি।
সমাপ্ত ২০২১ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের জন্য ৩০ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে আনোয়ার গ্যালভানাইজিংয়ের পরিচালনা পর্ষদ। এর মধ্যে ২০ শতাংশ নগদ ও ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ রয়েছে। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৯২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৯৩ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩০ জুন ২০২১ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকা ৩১ পয়সা।
সমাপ্ত ২০২০ হিসাব বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের মোট ১৫ শতাংশ লভ্যাংশ দিয়েছে আনোয়ার গ্যালভানাইজিং। এর মধ্যে ১০ শতাংশ নগদ ও বাকি ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য সময়ে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৫১ পয়সা। ৩০ জুন প্রতিষ্ঠানটির এনএভিপিএস দাঁড়ায় ১০ টাকা ৮৫ পয়সা, আগের হিসাব বছর শেষে যা ছিল ৯ টাকা ৮৪ পয়সা।
সমাপ্ত ২০১৯ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে আনোয়ার গ্যালভানাইজিং। ২০১৮ হিসাব বছরেও একই হারে নগদ লভ্যাংশ দিয়েছিল তারা। এছাড়া ২০১৭ হিসাব বছরের জন্য ১০ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ পেয়েছিলেন কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা।
১৯৯৬ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত আনোয়ার গ্যালভানাইজিংয়ের অনুমোদিত মূলধন ৫০ কোটি টাকা। বর্তমানে পরিশোধিত মূলধন ৩০ কোটি ১৮ লাখ ৭০ হাজার টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৩ কোটি ১ লাখ ৮৭ হাজার ৮০। এর মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে ৩৫ দশমিক ৩২, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২২ দশমিক ৮৪ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীর কাছে বাকি ৪১ দশমিক ৮৪ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।
ডিএসইতে গত বৃহস্পতিবার কোম্পানিটির শেয়ারের সর্বশেষ ও সমাপনী দর ছিল ১৩৫ টাকা ১০ পয়সা । গত এক বছরে এ শেয়ারের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ দর ছিল যথাক্রমে ১৩৪ টাকা ১০ পয়সা ও ২২০ টাকা।










