৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন ও ৫ আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক গুণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ প্রত্যয়ন করেছে আলফা ক্রেডিট রেটিং পিএলসি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৬ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ১ টাকা ৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ১ টাকা ৭ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ৭৭ পয়সায়।
সর্বশেষ ৩১ ডিসেম্বর সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরে কোম্পানিটির পর্ষদ বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ দশমিক ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ সুপারিশ করেছে। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৮৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৯৯ পয়সা (পুনর্মূল্যায়িত)। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ৭০ পয়সায়।
২০২৪ হিসাব বছরে রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্সের পর্ষদ বিনিয়োগকারীদের জন্য ১১ শতাংশ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে ৬ শতাংশ নগদ ও ৫ শতাংশ স্টক লভ্যাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ৩১ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ৩১ পয়সায়।
২০২৩ হিসাব বছরে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের ১১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২ টাকা ৩১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৯৬ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৮ টাকা ৩২ পয়সায়।
২০২২ হিসাব বছরে শেয়ারহোল্ডারদের সাড়ে ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয় রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্স। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৯৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ২ টাকা ২৭ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৭ টাকা ৬ পয়সায়।
দেশের পুঁজিবাজারে রিপাবলিক ইন্স্যুরেন্স তালিকাভুক্ত হয় ২০০৯ সালে। কোম্পানিটির অনুমোদিত মূলধন ১০০ কোটি টাকা ও পরিশোধিত মূলধন ৫৪ কোটি ৭০ লাখ ৪০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৫৩ কোটি ৬ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ৫ কোটি ৪৭ লাখ ৪ হাজার ১৫৬। এর মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে রয়েছে ৪১ দশমিক ৭১ শতাংশ শেয়ার। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৮ দশমিক ৮৬ শতাংশ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে রয়েছে বাকি ৩৯ দশমিক ৪৩ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।










