এর পেছনে কোনো ধরনের মূল্যসংবেদনশীল তথ্য নেই বলে জানিয়েছে কোম্পানিটি। গতকাল ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত ৭ মে ডিএসইতে কোম্পানিটির শেয়ারদর ছিল ১২৬ টাকা ৫০ পয়সা। সর্বশেষ গতকাল কোম্পানিটির শেয়ারদর দাঁড়িয়েছে ১৬৭ টাকা ৮০ পয়সায়। এতে গত এক মাসে কোম্পানিটির শেয়ারদর বেড়েছে প্রায় ৩৩ শতাংশ।
আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) দুলামিয়া কটনের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ২০ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই প্রান্তিকে যা ছিল ২৪ পয়সা। ৩১ মার্চ ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ৩৯ টাকা ৮৭ পয়সায়।
সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে শুধু সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য ৩ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল দুলামিয়া কটনের পর্ষদ।
আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ২৫ পয়সা। আগের হিসাব বছরে যেখানে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ৮৮ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ৩৯ টাকা ৮৩ পয়সায়।
২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে দুলামিয়া কটনের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ৮৮ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৯ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ৪০ টাকা ৮ পয়সায়।
২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে দুলামিয়া কটনের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ৯ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ১৩ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ৩৯ টাকা ২০ পয়সায়।
২০২১-২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের কোনো লভ্যাংশ দেয়নি কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে দুলামিয়া কটনের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ১৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৩৭ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট দায় দাঁড়িয়েছে ৩৮ টাকা ৫১ পয়সায়।
তিন দশকের বেশি সময় আগে থেকে প্রতিষ্ঠিত দুলামিয়া কটন সুতা উৎপাদন করে, যা মূলত স্থানীয় বস্ত্রশিল্পেই ব্যবহার হয়। মাল্টিমোড গ্রুপের এ প্রতিষ্ঠান পুঁজিবাজারে আসে ১৯৮৯ সালে। কোম্পানির অনুমোদিত মূলধন ৩০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৭ কোটি ৫৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা। পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ ৩৭ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৭৫ লাখ ৫৬ হাজার ৬০০। এর ৩৩ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ৬ দশমিক ৫৮ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৬০ দশমিক ৪১ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।










